জি বাংলার ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’এ (Chirodini Tumi Je Amar) আর্য-অপর্ণার বিয়ের পর প্রতিদিনই যেন নিত্য নতুন সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। অপর্ণা শ্বশুরবাড়িতে প্রবেশ করতেই ঘটে এমন কিছু ঘটনা, যা তাকে সর্বাগ্রে ভীত করে তোলে। বধূবরণের সময় অপর্ণার পা পুড়ে যায়, কিন্তু আর্য সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে তাকে রক্ষা করে। এই ছোট্ট দু’র্ঘটনা থেকেই ইঙ্গিত মিলেছিল যে তাদের সুখ সহজভাবে স্থায়ী হওয়ার নয়, বরং নানা অপ্রত্যাশিত বিপদ তাদের পথ আটকাবেই।
একই সঙ্গে, অপর্ণা বারবার আর্যর প্রাক্তন স্ত্রী রাজনন্দিনীর উপস্থিতি অনুভব করছে। কখনও আয়নার প্রতিবিম্বে, কখনও স্বপ্নের মতো মনে পড়ে আবার কখনও আর্যর পাশেই যেন তার ছায়া লুকিয়ে থাকে। এই পরিস্থিতি অপর্ণার দিনগুলোকে একটা অজানা আতঙ্কে কাটছে সেখানে। দর্শকের চোখেও এটা স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে যে, রাজনন্দিনী মৃ’ত হলেও তার প্রভাব এখনও পরিবারের জীবনে প্রবলভাবে রয়ে গেছে।
অপর দিকে, আর্যর পুরোনো শত্রু মেঘরাজ, সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। বৌভাতের দিনে সে লুকিয়ে আর্যর বাথরুমে বিদ্যুতের তার ফেলে দেয়। যা মীরাকে আহত করে, আর্য-অপর্ণার ফুলশয্যার আনন্দও নষ্ট করে দেয়। মেঘরাজের এই কার্যক্রম আর্য-অপর্ণার সুখ নষ্ট করছে প্রথম থেকেই। তার উদ্দেশ্য যেন আর্যকে অসহায় করে, অপর্ণার কাছে তার সত্যিকারের রূপ প্রকাশ করা। এবার যেন মেঘরাজ সেই কাজে সফল হলো!
সদ্য প্রকাশিত প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, মেঘরাজ আর্যকে বেঁধে রেখে শারীরিক ভাবে অত্যা’চার করছে। অপর্ণা তাঁকে বাঁচাতে গেলে, মেঘরাজ তার হাতে থাকা একটা রিমোটের সুইচ টিপে দেয় আর বলে যে আর্যকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। মেঘরাজের কেন এত রাগ আর্যর উপর, অপর্ণা জানতে চাইলে সে বলে যে আর্য একটা খু’নি! নিজের প্রথম স্ত্রী রাজনন্দিনীকে হ’ত্যা করেছে সে।
আরও পড়ুনঃ ফুটেছে বিয়ের ফুল! নতুন বছরের শুরুতেই সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন রণজয়-শ্যামৌপ্তি! দীর্ঘদিনের গুঞ্জনে ইতি টেনে, কবে বসছেন বিয়ের পিঁড়িতে?
আর এটা শুনে অপর্ণা ভেঙে পড়ে। অপর্ণা কি বিশ্বাস করবে যে আর্য এমনটা করতে পারে? সত্যিটা প্রকাশ্যে আসার পর, আর্য-অপর্ণার সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে? মেঘরাজের অতীতও এবার আসবে প্রকাশ্যে? অপর্ণার কি স্মৃতি মনে পড়বে? জানতে হলে, চোখ রাখতে হবে ১৪ তারিখ থেকে ১৬ তারিখ ধারাবাহিকের বিশেষ পর্বগুলিতে।
