জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘শুভ বিবাহ’-এ তেজ রহস্য! একসঙ্গে দু’জন তেজ! তোলপাড় বসু মল্লিক পরিবার! সুধা পারবে তো নিজের স্বামীকে চিনে নিতে?

এক ভয়াবহ দুর্যোগের পর থেকেই স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক শুভ বিবাহ-এর গল্পে আসে বড়সড় মোড়। সেই বিপর্যয়ে আলাদা হয়ে যায় তেজ ও তরি, আর সবকিছু হারিয়ে ভেঙে পড়ে সুধা। স্বামী ও মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণা তাকে ভিতর থেকে শেষ করে দেয়। অন্যদিকে ছোট্ট তরি আশ্রয় নেয় এক প্রত্যন্ত গ্রামে, আর তেজ স্মৃতিভ্রংশে ভুগে সম্পূর্ণ বদলে যায়। দর্শকদের মধ্যে তখন থেকেই শুরু হয় প্রবল কৌতূহল, আদৌ কি আবার এক হবে এই পরিবার।

গল্প এগোতেই ধীরে ধীরে উঠে আসে নতুন চমক। তেজ এখন বিচ্চু নামে সুধার আশপাশেই রয়েছে, যদিও নিজের পরিচয় সে নিজেই জানে না। নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে সুধা বুঝতে পারে বিচ্চুই আসলে তার হারিয়ে যাওয়া তেজ। শুধু তাই নয়, ভাগ্যের টানেই সে খুঁজে পায় নিজের মেয়েকেও। এই সুখবর বাড়ির সবাইকে জানাতে গেলে শুরু হয় অদ্ভুত পরিস্থিতি। কারণ বসু মল্লিক পরিবারের কাছে তেজ বহু আগেই মৃত বলে জানা ছিল।

ঠিক সেই সময়েই ঘটে যায় সবচেয়ে বড় বিস্ময়। তরিকে কোলে নিয়ে বসু মল্লিক বাড়িতে হাজির হয় তেজের মতো দেখতে আরেকজন মানুষ। তরি তাকে বাবা বলে ডাকে, যা দেখে সুধা সম্পূর্ণ হতবাক হয়ে যায়। তার বিশ্বাসই হতে চায় না যে তেজের হুবহু চেহারার আর একজন মানুষ থাকতে পারে। আরও অবাক করার বিষয়, সেই আগন্তুক নিজেকেও তেজ বলেই পরিচয় দেয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এর মধ্যেই হাজির হয় বিচ্চু, অর্থাৎ তেজের আরেক রূপ। একসঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন একইরকম মানুষ দেখে সুধার মাথা ঘুরে যায়। কে আসল তেজ, আর কে ভুয়ো, কিছুই বুঝে উঠতে পারে না সে। এতদিনের লড়াই আর অপেক্ষার পর সত্য সামনে এসেও যেন অধরা থেকে যায়। দর্শকদের মনেও একের পর এক প্রশ্ন ঘুরতে থাকে, এই রহস্যের আসল চাবিকাঠি কোথায়।

সাম্প্রতিক প্রোমোতে এই দ্বন্দ্ব আরও ঘনীভূত হয়েছে। এর আগেই গল্পে দেখা গিয়েছিল কিংশুক লাহিড়ীর জোর করে বিয়ের চেষ্টা এবং শেষ মুহূর্তে সেই বিয়ে ভেঙে দেওয়ার দৃশ্য। ফলে নতুন এই তেজ কি আদৌ কিংশুকের কোনও ষড়যন্ত্র, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। কিংশুকের চরিত্রে অভিনয় করছেন সায়ন বসু, আর তেজ ও সুধার ভূমিকায় রয়েছেন হানি বাফনা ও সোনামণি সাহা। উত্তর মিলবে আগামী পর্বে, আর ততদিন দর্শক অপেক্ষায়।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page