টেলিভিশনের জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা আবারও দর্শকদের টানটান উত্তেজনায় বেঁধে ফেলেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে টিআরপি সামান্য কমে গেলেও গল্পের মোচড়ে সিরিয়ালটি দ্রুত নিজের পুরনো জায়গা ফিরে পেয়েছে। এখন অনিরুদ্ধ ও রায়ানের পিসি পৌষালীর বিয়ের আয়োজন ঘিরে বাড়িতে আনন্দের হাওয়া। গায়ে হলুদের রঙে রঙিন পরিবেশে হাসি মজা আর আবেগ মিলেমিশে তৈরি হয়েছে এক উষ্ণ পারিবারিক আবহ, যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাচ্ছে।
এই আনন্দের মাঝেই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে রায়ানের মনের টান। সে বুঝতে পারছে পারুল তার কাছে কেবল বন্ধু নয়, আরও বেশি কিছু। তবুও মুখ ফুটে ভালোবাসার কথা বলতে পারছে না সে। বরং অকারণে দূরত্ব তৈরি করছে, অবহেলার আড়ালে লুকিয়ে রাখছে নিজের অনুভূতি। পারুলও যেন সব বুঝে চুপচাপ তাকিয়ে থাকে, এই নীরব সম্পর্কই গল্পে এনে দিয়েছে কোমল আবেগের ছোঁয়া।
এর আগে ভুল বোঝাবুঝির কারণে অনিরুদ্ধকে একসময় প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবেছিল রায়ান। সে বিশ্বাস করেছিল অনিরুদ্ধ পারুলকে ভালোবাসে, তাই তাকে সহ্যই করতে পারত না। পরে সত্যিটা জানার পর তার মন হালকা হয়ে যায়। অনিরুদ্ধ আসলে পারুল নয়, পৌষালীকেই ভালোবাসে শুনে রায়ানের আনন্দের সীমা থাকে না। এই উপলব্ধি গল্পে এক নতুন স্বস্তি এবং বন্ধুত্বের রং যোগ করে।
কিন্তু ঠিক বিয়ের দিনই ঘটে অপ্রত্যাশিত ঘটনা। একটি ফোন কল পৌষালীর জীবনে ঝড় তোলে। ফোনের ওপার থেকে হুমকি দেওয়া হয়, তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করা হবে। আতঙ্কিত পৌষালী হঠাৎই সিদ্ধান্ত নেয় সেই ব্যক্তির কাছে যাওয়ার। পরে জানা যায় সবটাই শিরিনের চক্রান্ত, পৌষালীর বিয়ে ভাঙতেই এই ভয়ংকর নাটক সাজিয়েছে সে, যা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।
আরও পড়ুনঃ “তুমি কোথায় আছো জানি না!” মায়ের জন্মদিনে না বলা কথার ভারে আবেগে ভাসলেন তন্বী! শোককে শক্তিতে বদলে দিয়ে, মানবিকতার নজির গড়লেন অভিনেত্রী!
এই খবর পৌঁছায় পারুলের কানে এবং সে বুঝতে পারে বড় কোনও ফাঁদ পাতা হয়েছে। এক মুহূর্ত দেরি না করে রায়ানকে নিয়ে সে ছুটে যায় পৌষালীর খোঁজে। কিন্তু ততক্ষণে মন্দিরে অন্য এক বিয়ের প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ মুহূর্তে কি সত্য প্রকাশ পাবে, নাকি সম্পর্কের সুতো ছিঁড়ে যাবে চিরতরে। আসন্ন পর্বে মিলবে সব উত্তরের ইঙ্গিত।
