জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“১৫ লক্ষ টাকার দরকার নেই” ফুসফুসে মা’রাত্মক সংক্র’মণ, আইসিইউতে দিনরাত লড়াই খুদের! জরুরি চিকিৎসার পর এখন কেমন আছে ডান্স বাংলা ডান্সের ছোট্ট রোদ্দুর? কী জানালেন মা?

গত কয়েক দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছিল ছোট্ট নৃত্যশিল্পী রোদ্দুর চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে। ডান্স বাংলা ডান্সের মঞ্চে নিজের নাচ দিয়ে দর্শকদের মন জয় করা এই খুদে প্রতিযোগী হঠাৎই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফুসফুসে সংক্রমণ এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা রোদ্দুরের ছবি ও খবর সামনে আসতেই অনুরাগী থেকে শুরু করে অনেকেই উদ্বেগে পড়েন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে উঠেছিল যে চিকিৎসার জন্য বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন বলে জানিয়েছিলেন রোদ্দুরের বাবা মা।

রোদ্দুরের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে তার বাবা মা সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। জানানো হয়েছিল যে আরও একটি অপারেশনের জন্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হতে পারে। এই খবর সামনে আসতেই বিনোদন জগতের অনেক পরিচিত মুখ এগিয়ে আসেন। অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা ও জীতুর মতো তারকারা পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। পাশাপাশি অসংখ্য সাধারণ মানুষও খুদে শিল্পীর দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করতে শুরু করেন এবং সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন।

তবে এই উদ্বেগের মধ্যেই অবশেষে এল স্বস্তির খবর। রোদ্দুরের মা মেঘা চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছেন যে পরিস্থিতি আগের থেকে অনেকটাই ভালো। গত ৯ মার্চ রোদ্দুরকে আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে আপাতত আর কোনও বড় অপারেশনের প্রয়োজন নেই। ওষুধ এবং ইনজেকশনের মাধ্যমেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে ছোট্ট রোদ্দুর। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন পরিবারের সদস্যরা ও অনুরাগীরা।

সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয় হল চিকিৎসার খরচ নিয়েও নতুন করে আশা জেগেছে। যে ১৫ লক্ষ টাকার কথা প্রথমে বলা হয়েছিল এখন আর সেই অঙ্কের প্রয়োজন নেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার মধ্যেই রোদ্দুরের চিকিৎসা সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে। স্বাভাবিকভাবেই এই খবর শুনে রোদ্দুরের বাবা মা অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন। সন্তানের সুস্থতার খবরই এখন তাদের কাছে সবচেয়ে বড় সুখের বিষয়।

প্রসঙ্গত গত ৫ মার্চ হঠাৎই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে রোদ্দুর। শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় প্রথমে তাকে শিশু মঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় বাইপাসের অ্যাপেলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানান রোদ্দুর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত এবং তার বাম দিকের ফুসফুসে জল জমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই জমা জল বের করার জন্য চিকিৎসা করা হয়। বর্তমানে সে অনেকটাই স্থিতিশীল এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page