গত মঙ্গলবার আচমকাই খবর এল, নতুন ছবি ‘এরাও মানুষ দ্যা সার্চ উইদিন’-এর সেটে জিতু কমলকে ঘিরে কিছু সমস্যা হয়েছে। পরিচালক অভিযোগ করেছেন, জিতু ১০ ঘণ্টার বেশি শ্যুট করতে চাননি এবং অতিরিক্ত পারিশ্রমিক চেয়েছিলেন। সেই সঙ্গে সেটে সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর আচরণও ঠিক ছিল না বলেও জানা গেছে। তবে, একই সময়ে জিতু একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যায় যে উত্তেজনার মধ্যে গালাগালি দিয়েছেন পরিচালক।
এই পরিস্থিতিতে জিতুর পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। কিছুদিন আগেই সুদীপা এবং জিতু একসাথে কাজ করেছেন অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের ‘চোর’ ছবিতে। দীর্ঘদিন ধরে কাজের সূত্রে জিতুকে চেনা সুদীপা এবার তাঁর পক্ষে কিছু কথা লিখেছেন। সুদীপা লেখেন, জিতু বিতর্কে ছায়া পড়লেও ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত শান্ত ও প্রাইভেট মানুষ।
সুদীপা আরও লিখেছেন, জিতু ইন্ট্রোভার্ট এবং আবেগপ্রবণ হলেও খুব স্পিরিচুয়াল এবং প্রচার-বিমুখ। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহমর্মী এবং সংবেদনশীল। পেশাগত জীবনে জিতু অত্যন্ত সহযোগী, শ্রদ্ধাশীল এবং বুদ্ধিমান অভিনেতা। ‘চোর’ ছবির শ্যুটিং মাত্র ৯ দিনে শেষ করা সম্ভব হয়েছিল জিতুর সহায়তা ছাড়া।
অগ্নিদেব পত্নী আরও বলেন, জিতু শ্যুটিং সেটে কখনো নাখোশ দেখাননি। রেললাইনের পাশে ঘুমিয়ে পড়েও, চেয়ার বা খোলা রাস্তা যেখানে সুযোগ মিলেছে সেখানে অপেক্ষা করেছেন। পরিচালক না বলে কখনো সেট ত্যাগ করেননি। সুদীপা জানান, রোজই তাঁকে বলতে হত জিতুকে বিশ্রাম নিতে এবং কাজ বন্ধ করতে, তবু তিনি সেটে থেকে কাজ চালিয়ে গেছেন।
আরও পড়ুনঃ “আমি কাঁদতে কাঁদতে জোরে জোরে হাততালি দিয়েছি ঈশানীর জন্য” এবার পুরস্কার না পেলেও, অন্বেষা হাজরার আন্তরিকতা দেখালো প্রকৃত শিল্পীর মান! অভিনেত্রীর মানবিকতায়, প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটপাড়া!
শেষে সুদীপা সকল শিল্পীকে আহ্বান জানিয়েছেন যে, এখন সময় এসেছে শিল্পী হিসেবে একত্রিত হওয়ার। শ্যুটিংয়ে অভিনেতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মর্যাদা বজায় রাখতে হবে। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের এই কদর করে শিল্পীজীবন সহজ এবং সম্মানজনক হবে।
