ছুটির দিন এলেই বাঙালি পরিবারে একটু অন্যরকম খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করার ইচ্ছেটা যেন আপনাআপনিই তৈরি হয়। কিন্তু একই ধরনের মাছ-মাংস বা বিরিয়ানি বারবার খেতে খেতে অনেক সময়ই একঘেয়েমি চলে আসে। তখন মন চায় এমন কিছু রান্না করতে, যা একটু আলাদা, আবার খুব ঝামেলাও নয়। ঠিক এমন সময়েই দুধ-পোলাও হতে পারে চমৎকার একটা বিকল্প।
স্বাদে হালকা মিষ্টি, সুগন্ধে ভরপুর আর বানাতেও খুব বেশি কষ্ট নেই। এই পদটি তৈরির জন্য বিশেষ কিছু অদ্ভুত উপকরণ লাগে না, বরং বেশিরভাগ জিনিসই বাড়িতে মজুত থাকে। ভালো মানের চাল, দুধ, সামান্য গোটা গরম মশলা, কিশমিশ আর একটু ঘি, এই কয়েকটি উপাদানই মূলত স্বাদটাকে গড়ে তোলে। তার সঙ্গে কড়াইশুঁটি আর মিল্কমেড যোগ করে পোলাওয়ের স্বাদে একটা আলাদা মোলায়েম ভাব আসে।
যা সাধারণ পোলাওয়ের থেকে একেবারেই আলাদা। রান্না শুরু করার আগে চাল ভিজিয়ে রাখা খুব জরুরি, এতে দানাগুলো সুন্দরভাবে ফেঁপে ওঠে। এরপর ঘি-তে গরম মশলা ফোড়ন দিয়ে তার মধ্যে চাল ও অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে। এই সময়টাতেই একটা সুন্দর গন্ধ বেরোতে শুরু করবে, যা রান্নার মুডটাই বদলে দেবে। তারপর ধীরে ধীরে দুধ ঢেলে দিয়ে কম আঁচে রান্না করতে হবে।
যাতে চাল ভালোভাবে সেদ্ধ হয় এবং দুধের স্বাদটাও ভেতরে ঢুকে যায়। এই পোলাওয়ের একটা বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর টেক্সচার। না একেবারে ঝরঝরে, না একদম লেপ্টে যাওয়া। দুধের জন্য একটা নরম, মোলায়েম ভাব থাকে, আর কিশমিশ বা কড়াইশুঁটি মাঝে মাঝে মুখে পড়লে স্বাদের পরিবর্তনও হয়। এরপর শেষে সামান্য মিল্কমেড ছড়িয়ে দিলে মিষ্টির একটা ভারসাম্য তৈরি হবে।
আরও পড়ুনঃ এখনই বন্ধ নয় ‘আনন্দী’! শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত বদলে চমকে গেলেন কলাকুশলীরা! ধারাবাহিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে, কী জানালেন মুখ্য অভিনেত্রী অন্বেষা?
আর এটাই পুরো পদটাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, এই দুধ-পোলাও আলাদা করে খুব বেশি সাইড ডিশেরও প্রয়োজন পড়ে না। একাই খেতে বেশ তৃপ্তিদায়ক লাগে। তাই যদি একঘেয়ে মেনু থেকে একটু বেরিয়ে এসে নতুন কিছু ট্রাই করতে চান, তাহলে এই সহজ রেসিপিটা নিঃসন্দেহে আপনার রান্নাঘরে জায়গা করে নিতে পারে। বানাবেন নাকি রবিবারের অলস দুপুরে?
