জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“আমার ব্যক্তিগত গাড়ি নির্বাচন কাজে নেওয়া যাবে না!” মাঝ রাস্তায় গাড়ি আটক, ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ালেন অরিত্র দত্ত বণিক! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও, রাজ্যের প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে নতুন বিতর্ক!

অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিক মঙ্গলবার সকালে শ্যুটিংয়ে যাওয়ার সময় ডানলপ রথতলা মোড়ে আচমকাই থামিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনা নিজের ভিডিওতে তিনি তুলে ধরেন, যা দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, একজন ট্রাফিক পুলিশ তার ব্যক্তিগত গাড়ি নির্বাচনের কাজে নিতে চাইছিলেন। অরিত্র স্পষ্টভাবে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে গাড়ি দিতে চাইছেন না। এই ঘটনার পর অভিনেতা এবং পুলিশের মধ্যে কিছুটা বচসা হয়, যা ভিডিওতে পরিষ্কারভাবে ধরা পড়েছে।

অরিত্র জানান, তিনি শ্যুটিংয়ে যাওয়ার জন্য নিজের গাড়ি ব্যবহার করেছিলেন। ডানলপ ট্রাফিক পুলিশ আচমকাই গাড়ি থামিয়ে তার কাছে রিক্যুশন স্লিপ দেখান। পুলিশ গাড়ি নির্বাচন কাজে ব্যবহার করতে চাইলেও অরিত্র তা দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত গাড়ি যেকোনো সময় জোর করে নেওয়া যায় না। অরিত্র কিছুক্ষণ বচসার পরও নিজের গাড়ি চালিয়ে সেখানে থেকে চলে যান। ঘটনার ভিডিওটি প্রকাশের পর নেটিজেনরা ব্যাপকভাবে মন্তব্য করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনের জন্য প্রথমে সরকারি গাড়ি এবং তারপর বেসরকারি গাড়ি ব্যবহার করা হয়। তবে মোটর ভেহিকেল আইন অনুযায়ী, ব্যক্তিগত গাড়ি ভোট বা ভাড়ার কাজে ব্যবহার করা বেআইনি। তাই অরিত্রের ব্যক্তিগত গাড়ি নির্বাচন কাজে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া আইন বিরুদ্ধ। নেটিজেনরা মন্তব্য করেছেন, ভোটের আগে এমন ঘটনা প্রতিবছরই ঘটে।

আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তির গাড়ি নেওয়ার আগে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বা ডিসট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত অনুমতি থাকা আবশ্যক। লিখিত অনুমতি ছাড়া গাড়ি নেওয়া বেআইনি। এই নিয়ম সত্ত্বেও অনেক সময় স্থানীয় পুলিশ বা দায়িত্বপ্রাপ্তরা ব্যক্তিগত গাড়ি চাওয়ার চেষ্টা করেন। অরিত্রের ঘটনায় দেখা গেছে, তিনি আইন মেনে গাড়ি দিতে অস্বীকার করেছেন। ফলে পুলিশ কিছুতেই তার গাড়ি নিতে পারেননি।

এই ঘটনা নিয়ে নেটিজেনরা বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ মনে করছেন, ভোটের সময় এমন জোরপূর্বক চাহিদা হওয়া উচিত নয়। অন্যরা বলেছেন, সাধারণ মানুষ এবং সেলিব্রিটি উভয়ের ক্ষেত্রেই এমন অভিজ্ঞতা ঘটে। অরিত্রের ভিডিও প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনও কিছু প্রশ্নের মুখে পড়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি এখন নতুন বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page