জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“রাজ্য দুর্নী’তিমুক্ত হয়েই গেল তাহলে, যাক এবার হয়তো চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হবে না!” “দুর্নী’তি মুক্ত করতে, নিজেই দুর্নী’তি করে চাকরি পেল নাকি?” নিশার অপরাধের সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে, পুলিশ হয়ে লড়াইয়ে নামছে উজি! ‘জোয়ার ভাঁটা’র প্রোমো দেখে খোঁচা নেটপাড়ার!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’-তে আসতে চলেছে বড় পরিবর্তন। শুধু গল্পেই নয়, বদলাচ্ছে সম্প্রচারের সময়ও। এখন থেকে এই মেগা দেখা যাবে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে। নতুন সময়ের সঙ্গে গল্পেও যোগ হয়েছে নতুন উত্তেজনা। নির্মাতারা ইতিমধ্যেই দর্শকদের জন্য এনেছেন নতুন প্রোমো। সেই ঝলকেই স্পষ্ট, আগামী দিনে কাহিনি আরও টানটান হতে চলেছে। দুই বোনের সম্পর্ক এবার এক নতুন দিকে মোড় নিতে চলেছে। দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে কৌতূহল। নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, নিশা এখন একেবারে অন্য রূপে।

সে ‘মহারানি’ হয়ে নিজের দুর্নীতির জাল ছড়িয়ে দিয়েছে চারদিকে। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভানু। তারা মিলে বড় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির পরিকল্পনা করছে। নিশা জানাচ্ছে, শহরে টাকার অভাব নেই, শুধু তা দখল করতে জানতে হবে। সে অন্যদেরও এই কাজে যুক্ত হতে উৎসাহ দিচ্ছে। এমনকি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শও দিচ্ছে সে। একটি ফোন কলেই বড় বড় কাজ হয়ে যাবে বলে দাবি করছে নিশা। অন্যদিকে, এই অবৈধ কাজের জাল আরও বড় হচ্ছে।

নিশার সঙ্গে যোগাযোগ করছে জিৎ বসুও। সে নিজেকে মহারানি হিসেবে পরিচয় দিয়ে জানায়, অল্প সময়ের মধ্যেই বড় দুই ব্যাঙ্ক খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তরে নিশা বলে, তার জন্য আরও বড় কিছু অপেক্ষা করছে। এই কথোপকথন থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সামনে বড় ধাক্কা আসতে চলেছে। দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছে একাধিক চমক। কাহিনি ধীরে ধীরে এগোচ্ছে সংঘর্ষের দিকে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এদিকে উজির জীবনে শুরু হয়েছে নতুন অধ্যায়। সে পুলিশ হওয়ার জন্য ট্রেনিং নিতে শুরু করেছে।

তার পাশে সবসময় রয়েছে স্বামী ঋষি। ট্রেনিংয়ের সময় উজিকে জানানো হয়, এখন থেকেই তার লড়াই শুরু। উজিও প্রতিজ্ঞা করে, কোনও অপরাধীকে সে ছাড়বে না। তার লক্ষ্য, সমাজকে অপরাধমুক্ত করা। একদিকে নিশার অপরাধ জগত বিস্তার পাচ্ছে, অন্যদিকে উজি আইনের পথে এগোচ্ছে। দুই বোনের পথ এখন সম্পূর্ণ আলাদা। গল্পের এই পর্যায়ে প্রশ্ন উঠছে, ভবিষ্যতে কী হতে চলেছে। এতদিন নানা সমস্যার মধ্যেও একসঙ্গে ছিল দুই বোন।

কিন্তু এবার কি তারা একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে? উজি কি সত্যিই পুলিশ হয়ে দিদিকে সঠিক পথে ফেরাতে পারবে? অন্যদিকে, নিশার মনে জ্বলছে প্রতিশোধের আগুন। ঋষির মতে, উজি যদি পুলিশ হয়, তবেই সে এই পরিস্থিতি সামলাতে পারবে। এখন দেখার, এই সংঘাত কোথায় গিয়ে পৌঁছায়। সব উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বগুলোতে। যদিও নেট মাধ্যমে এই নিয়ে চলছে বিস্তার সমালোচনা। প্রোমো দেখে কেউ কেউ বলছেন, “রাজ্য দুর্নীতিমুক্ত হয়েই গেল তাহলে, যাক এবার হয়তো চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হবে না!” “দুর্নীতি মুক্ত করতে, নিজেই দুর্নীতি করে চাকরি পেল নাকি?”

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page