জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

বাসন মাজতে ভীষণ ভালোবাসেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়! অনির্বাণ চক্রবর্তী বাড়িতে কী করেন জানেন? অভিনেতা ও অভিনেত্রীর এমন অদ্ভুত শখের পেছনের গল্পটা কী? জানলে চমকে যাবেন!

টলিউডের নতুন ছবি ‘বিবি পায়রা’ দর্শকদের মধ্যে নতুন এক উত্তেজনা তৈরি করেছে। এই ছবির মাধ্যমে একসঙ্গে দেখা মিলেছে দুই জনপ্রিয় তারকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় এবং অনির্বাণ চক্রবর্তীকে। ছবিতে তারা অভিনয় করেছেন শিউলি ও জগন্নাথ নামের স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে। তাদের অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে। তবে শুধু পর্দার গল্পেই নয়, অফস্ক্রিনেও তাদের সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত জীবনের কিছু মজার তথ্য এখন ছড়িয়ে পড়েছে, যা দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাদের এমন কিছু ব্যক্তিগত অভ্যাস সম্পর্কে জানানো হয়েছে যা দর্শকদের কাছে নতুন ও অদ্ভুত মনে হতে পারে।

স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে একটি অদ্ভুত পছন্দের কথা শোনা গেছে। তিনি জানালেন যে, তিনি বাসন মাজতে ভীষণ ভালোবাসেন। শুধু নিজের বাড়িতেই নয়, বন্ধুদের বাড়িতেও বাসন মেজে দেন স্বস্তিকা। তার মতে, ব্যস্ত শুটিং জীবনের মাঝেও এই কাজটি তাকে একধরনের শান্তি দেয়। আসলে, বাসন মাজা তাকে মানসিক শান্তি ও প্রশান্তি এনে দেয়। তার এই সহজ ও নিরহংকার স্বভাবের জন্যই তিনি আরও কাছাকাছি চলে আসেন দর্শকদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে। স্বস্তিকার এই ভালোবাসা, যে কোনো বড় তারকার জন্য হয়তো অস্বাভাবিক মনে হতে পারে, কিন্তু তার ভক্তরা এটি অত্যন্ত সাধারণ ও আন্তরিক হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

অনির্বাণ চক্রবর্তীর বিষয়েও কিছু আকর্ষণীয় তথ্য শোনা গেছে। তিনি জানালেন, রান্না করা তার অন্যতম প্রিয় শখ। বাঙালি খাবারের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা রয়েছে এবং তিনি প্রায় সকল ধরনের বাঙালি রান্না করতে পারেন। রান্না করার মাঝে তিনি নিজেকে এক নতুন অনুভূতিতে আবদ্ধ অনুভব করেন। তবে, খাওয়ার ব্যাপারে তিনি একটু নিরন্তর। তিনি জানান যে, যদিও খেতে ভালোবাসেন, কিন্তু খুব বেশি খান না। এমনটি শুনে বেশ কিছু ভক্ত অবাক হলেও, অনির্বাণের এই সাধাসিধে জীবনযাপন তার ভক্তদের কাছে এক নতুন নজর দেয়। তার সরলতা এবং খোলামেলা মনোভাব বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।

‘বিবি পায়রা’ ছবিতে শিউলি ও জগন্নাথের চরিত্রের মধ্যে যে দাম্পত্য সম্পর্কের চিত্রণ দেখা গেছে, বাস্তবে স্বস্তিকা ও অনির্বাণের সম্পর্কও কিছুটা সেরকমই। তাদের মধ্যে সহজ, আন্তরিক এবং প্রাণখোলা স্বভাব পর্দায় তাদের চরিত্রের সঙ্গে অদ্ভুত এক সম্পর্ক তৈরি করেছে। ছবির স্বাভাবিক ও সরল সম্পর্ক কেবল পর্দায় নয়, বাস্তবেও তাদের চরিত্রকে আরও বিশ্বাসযোগ্য ও ভালোবাসার যোগ্য করে তুলেছে। তাদের এই প্রাকৃতিক আচরণ দর্শকদের কাছে তাদের চরিত্রের আরও গভীরতা ও আন্তরিকতা নিয়ে এসেছে। ‘বিবি পায়রা’ ছবিতে তারা যে দাম্পত্য জীবনের স্বাভাবিক রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সবার মন জিতেছে।

সব মিলিয়ে, ‘বিবি পায়রা’ ছবির দুই প্রধান চরিত্রের মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তা পর্দার মতোই বাস্তবে দর্শকদের কাছে বেশ প্রিয় হয়ে উঠেছে। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও তাদের সাদামাটা জীবনযাপন, মজার কথাবার্তা এবং অবাক করা শখগুলো তাদের ব্যক্তিগত জীবনকেও আরও সুন্দর ও কাছাকাছি করে তুলেছে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন যে, পর্দার চরিত্রের চেয়ে বাস্তব জীবনেও তাদের সম্পর্কের মধ্যে রয়েছে এক ধরনের খোলামেলা এবং সরলতা, যা সাধারণ মানুষকে আরও বেশি আকর্ষণ করে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page