ডিজিটাল যুগে গল্প বলার ধরন বদলাচ্ছে দ্রুত, আর সেই পরিবর্তনের স্রোতে নতুন সংযোজন ‘ফেয়ারি খেল’। Soul Scenes প্রোডাকশনের এই ভার্টিক্যাল ড্রামা সিরিজটি পরিচালনা করেছেন দীপঙ্কর দে। অভিনয়ে রয়েছেন শ্যামৌপ্তি, ঐন্দ্রিলা বসু ও ঐশ্বর্য, সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ঋষভ চক্রবর্তী ও সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়, যা সিরিজটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে দর্শকদের জন্য।
এই সিরিজের গল্পে রয়েছে পাঁচটি চরিত্রের জীবন, যারা এক অদ্ভুত পরিস্থিতিতে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভুল বোঝাবুঝি আর অমীমাংসিত প্রশ্নের মাঝেই ধীরে ধীরে খুলে যায় নতুন দিশা। ঝগড়া, ভালোবাসা, খুনসুটি আর আবেগের সঙ্গে এক চিমটি ম্যাজিক মিশে তৈরি হয়েছে এই ব্যতিক্রমী গল্পটি, যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যেতে পারে।
ঐন্দ্রিলা বসুর কথায়, এই প্রজেক্টটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা, কারণ পুরো টিম মিলে গল্পটি তৈরি করেছে। মাত্র দু দিনে দশটি এপিসোডের শুটিং শেষ করা সহজ ছিল না, কিন্তু সবার একাগ্রতা আর বন্ধুত্বের শক্তিতেই তা সম্ভব হয়েছে। নিজের প্রোডাকশন হওয়ায় এই সিরিজটি তাদের কাছে যেন একেবারে নিজের সন্তানের মতো অনুভূতির।
শ্যামৌপ্তি জানান, এই কাজটি তার কাছে বিশেষ কারণ এটি বহুদিনের বন্ধুদের সঙ্গে করা একটি স্বপ্নের প্রজেক্ট। অভিনয়ের পাশাপাশি কস্টিউম, সেট আর এডিটিংয়ের মতো বিভিন্ন কাজে নিজেদের যুক্ত করতে পেরে তারা ভীষণ আনন্দ পেয়েছেন। নিজের চরিত্র নিয়েও তিনি যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত, কারণ এতে দর্শক তাকে এক নতুনভাবে দেখতে পাবেন।
আরও পড়ুন: “একজন অভিনেতা ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র মুখ হতে পারে না” সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাফল্য আসে! ‘৭২ ঘণ্টা’ ব্যান কালচার প্রসঙ্গে মনোমালিন্যের পর, দেবকে উদ্দেশ্য করে কি এই বার্তা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের?
ঐশ্বর্যের মতে, বন্ধুদের সঙ্গে কাজ করার আনন্দই আলাদা, যা এই সিরিজের প্রতিটি মুহূর্তে ধরা পড়েছে। শুরুতে কিছুটা দ্বিধা থাকলেও গল্পের শক্তি আর টিমের বিশ্বাস সেই দ্বিধা দূর করেছে। নানা বাধা পেরিয়ে তৈরি এই সিরিজ এখন দর্শকদের হাতে, আর নির্মাতারা আশাবাদী এটি নতুন ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট হিসেবে সবার মনে জায়গা করে নেবে।
