জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

ভোলেননি ‘জিগর কা টুকরা’র বার্থডে সারপ্রাইজ! শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক, শ্যুটিংয়ের ব্যস্ততায় সারাদিন পাননি সময়! শেষবেলায় প্রেমিক রাহুলকে কী উপহার দেবাদৃতার?

আজকের দিনে টলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত জুটি হলেন রাহুল দেব বসু এবং দেবাদৃতা বসু। রাহুলের জন্মদিনে এক বিশেষ সারপ্রাইজ দিলেন দেবাদৃতা। যদিও সারাদিন শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন দেবাদৃতা, তারপরও প্রেমিকের জন্য সময় বের করে রাহুলের জন্মদিনে উপস্থিত হন তিনি। সম্পর্ক নিয়ে লুকোচুরির রীতি ভেঙে, এই জুটি সরাসরি তাদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনতে ভোলেননি। দেবাদৃতা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুলের সাথে তাদের ছবি শেয়ার করে লিখলেন, “শুভ জন্মদিন আমার জিগর কা টুকরা।” এই কথাগুলোর মাধ্যমে যেন আরও একবার তাদের গভীর সম্পর্কের কথা জানালেন তিনি।

সন্ধ্যায় ‘কমলানিবাস’-এর শুটিং শেষে দেবাদৃতা এক মুহূর্তের জন্যও সময় নষ্ট না করে রাহুলের কাছে চলে আসেন। তাঁর হাতে ছিল রুচিশীল বিরিয়ানির হাঁড়ি, আর চোখে ছিল প্রেমের উজ্জ্বল দীপ্তি। রাহুলের জন্মদিনকে আরও রঙিন করে তুলতে, দেবাদৃতা ওই বিশেষ মুহূর্তে তার প্রিয় মানুষের কাছে হাজির হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির ক্যাপশনে লেখেন, “পোস্ট প্যাক-আপ বার্থডে বিরিয়ানি সারপ্রাইজ!”— যা দিয়ে তারা নিজেদের সম্পর্কের খোলামেলা স্বীকৃতিও প্রদান করলেন।

দেবাদৃতা এবং রাহুল একে অপরকে তাদের জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। রাহুলের জন্য দেবাদৃতা লিখেছেন যে, তিনি শুধু বন্ধু নন, বরং রাহুল তার জীবনের ‘জিগর কা টুকড়া’। দুই তারকা খুবই স্বাভাবিকভাবে এবং খোলামেলা ভাবেই তাদের সম্পর্কের কথা জানালেন, যা টলিপাড়ার কাছে এক নতুন দৃষ্টান্ত। সাধারণত টেলিভিশন শিল্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে অনেকটাই লুকোচুরি চলে, কিন্তু রাহুল ও দেবাদৃতা সেটা ভেঙে একটি সৎ ও খোলামেলা সম্পর্কের নজির তৈরি করেছেন।

এদিন, দেবাদৃতা যখন শুটিংয়ের চাপ সামলে রাহুলের জন্মদিন পালন করতে হাজির হন, তখন তাদের এই সম্পর্কের গভীরতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। টলিপাড়ার সহকর্মীরা এবং ভক্তরা তাদের এই সম্পর্কের এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেখে উচ্ছ্বসিত। সাধারণত শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে এমন প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি খুবই বিরল, তবে দেবাদৃতা এবং রাহুল সেই রীতি ভেঙে নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন। দেবাদৃতার পরিবার এবং রাহুলের পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক বেশ দৃঢ়, যা তাদের সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে।

রাহুল ও দেবাদৃতার সম্পর্ক বর্তমানে প্রায় দুই বছরের পুরনো। তাদের এই প্রেমের সম্পর্কের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, তাদের পরিবারের সদস্যরাও একে অপরকে আরও ভালোভাবে গ্রহণ করেছেন। দেবাদৃতার বাবা, সঞ্জয় বসু এবং রাহুলের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব রয়েছে। দেবাদৃতার ছোট বোনও রাহুলকে খুব পছন্দ করেন। ২০২৩ সালের দুর্গাপুজোর দশমীতে যখন এই প্রেমের সম্পর্কটি প্রকাশ্যে আসে, তখন থেকেই দুজনের সম্পর্কের বিশেষত্ব আরও বেশি ফুটে ওঠে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page