জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

কীর্তনের পথেই মৃ’ত্যু ফাঁদ! দিতির দিকে তেড়ে এল দামাল হাতি! কুন্তলিনী ও পুলস্তরের ভয়ংকর চক্রান্ত! গোরার চোখের সামনে স্ত্রীয়ের চরম পরিণীতি? ‘তারে ধরি ধরি’-তে ধামাকা পর্ব!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’-তে এবার আসতে চলেছে বড় চমক। নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে আসতেই দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে কয়েকগুণ। কারণ এবার নায়িকা দিতিকে দেখা যাবে এক দামাল হাতির মুখোমুখি হতে। প্রোমোতে দেখা যায়, গোরা দিতিকে জানায় কয়েকদিন সে বাড়িতে থাকবে না। তাই বাড়ির কীর্তনের সমস্ত দায়িত্ব দিতিকেই সামলাতে হবে। গোরার কথা শুনে দিতি তাতেই রাজি হয়ে যায়। কিন্তু কীর্তনের দিনেই ঘটে যায় এক ভয়ংকর ঘটনা। আর সেই দৃশ্য এখন দর্শকদের মধ্যে তুমুল কৌতূহল তৈরি করেছে।

কীর্তন শেষ করে দিতি যখন বাড়ির সকলকে নিয়ে ফিরছিল, তখনই সামনে আসে বড় বিপদ। কুন্তলিনী ও পুলস্তরের পরিকল্পনা অনুযায়ী হঠাৎ এক ক্ষিপ্ত হাতি তেড়ে আসে দিতির দিকে। মুহূর্তের মধ্যে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে সবাই দৌড়ে পালাতে শুরু করে। দিতিও পালানোর চেষ্টা করলেও হোঁচট খেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। ঠিক তখনই হাতিটি আরও কাছে চলে আসে। সেই সময় ঘটনাস্থলে ছুটে আসে গোরা। দিতিকে ওই অবস্থায় দেখে চিৎকার করে ওঠে সে। এবার দিতির কী হবে, তা নিয়েই বাড়ছে উত্তেজনা।

ধারাবাহিকের আগের পর্বগুলোতেও কুন্তলিনীর রহস্যময় অতীত সামনে এসেছে। কিছুদিন আগে দেখানো হয়, এক সাধু তাকে পূর্বজন্মের কথা মনে করিয়ে দেয়। সাধুর দাবি, আগের জন্মে কুন্তলিনীর নাম ছিল তমালিনী এবং সে গোরাকে ভালোবাসত। কিন্তু দিতির জন্য সে গোরাকে পায়নি। এই জন্মেও দিতিকেই সে নিজের পথে বাধা বলে মনে করছে। সাধু আরও জানায়, ফুল মুরারী কাব্যের তৃতীয় খণ্ড যদি দিতির হাতে পৌঁছে যায়, তাহলে কুন্তলিনীর আর গোরাকে পাওয়া সম্ভব হবে না। এই কথা শুনেই দিতিকে আটকাতে মরিয়া হয়ে ওঠে সে।

অন্যদিকে দিতিকে দেখা যায় একটি পুকুরের সামনে দাঁড়িয়ে ভাবতে। তার মনে হয়, ওই পুকুরের নীচে ৪০০ বছর ধরে একটি কচ্ছপ ফুল মুরারী কাব্যের তৃতীয় খণ্ড পাহারা দিচ্ছে। কিন্তু সেটি কীভাবে পাওয়া যাবে, তা বুঝতে পারছিল না সে। ঠিক সেই সময় পিছন থেকে আচমকা ধাক্কা মেরে দিতিকে জলে ফেলে দেয় কুন্তলিনী। দিতি জলে তলিয়ে যেতে যেতে সেই কচ্ছপকে দেখতে পায়। পরে কচ্ছপের সাহায্যেই সে সেই পুরাণ উদ্ধার করে আনে। এই ঘটনার পর থেকেই কুন্তলিনীর রাগ আরও বেড়ে যায়। কারণ বারবার চেষ্টা করেও সে দিতিকে হারাতে পারছিল না।

গোরাকে নিজের করে পাওয়ার জন্য কুন্তলিনী এবার আরও বিপজ্জনক পথ বেছে নিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এতদিন তার সব পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। তাই এবার দিতিকে সরাতে হাতিকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। হাতির সামনে পড়ে দিতির প্রাণসংশয় হবে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। গোরার সামনে এই বিপদ থেকে দিতি কীভাবে বাঁচবে, তা এখন দেখার অপেক্ষা। কুন্তলিনী ও পুলস্তরের চক্রান্ত সফল হবে, নাকি আবারও ভেস্তে যাবে, তা জানা যাবে আগামী পর্বে। নতুন এই মোড়ে দর্শকদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page