জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

মা ছিন্ন’মস্তা রূপে ন’গ্ন নাচ, ভিউস বাড়ানো, ভাইরাল হ‌ওয়াই মূল লক্ষ্য? হিন্দু দেবদেবী‌ই কেন? আনন্দী সাহার নাচের ভিডিয়ো ঘিরে ক্ষু’ব্ধ নেটপাড়া

সমাজমাধ্যম এখন নিজের প্রতিভা তুলে ধরার অন্যতম বড় মাধ্যম। সেই মাধ্যমেই নিজের নাচের ভিডিয়ো পোস্ট করে আলোচনায় এসেছেন আনন্দী সাহা। তারাপীঠের বাসিন্দা এই রূপান্তরকামী নৃত্যশিল্পী নাচের পাশাপাশি মেকআপ শিল্পী হিসেবেও কাজ করেন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে কালী রূপে তাঁর নাচের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

জানা গিয়েছে, ছোট থেকেই নাচ এবং রূপটানের প্রতি আগ্রহ ছিল আনন্দীর। বর্তমানে নৃত্যশিল্পী হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন তিনি এবং অন্যদের নাচও শেখান। কয়েক দিন আগে একটি অনুষ্ঠানের ভিডিয়ো নিজের সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেন আনন্দী। সেখানে তাঁকে দেবী কালী এবং ছিন্নমস্তার আদলে সাজতে দেখা যায়। নাচের বিভিন্ন ভঙ্গিতে দর্শকদের নজর কাড়লেও তাঁর পোশাক ও কয়েকটি অঙ্গভঙ্গি নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক।

ভিডিয়োর একটি অংশকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি আপত্তি জানিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। ওই দৃশ্যে আনন্দীর পিঠের চুল সরিয়ে হাতে ধরার সময় তাঁর শরীরের পিছনের অংশ কিছুটা দৃশ্যমান হতে দেখা যায়। সেই ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয় তর্কবিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ধর্মীয় চরিত্রের সাজকে এভাবে উপস্থাপন করার প্রয়োজন ছিল কি না। কেউ কেউ আবার গোটা বিষয়টিকে ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা বলেও মন্তব্য করেছেন।

তবে সমালোচনার পাশাপাশি আনন্দীর নাচের প্রশংসাও করেছেন অনেকে। নেটপাড়ার একাংশের মতে, এমন সাজে মঞ্চে পারফর্ম করার জন্য যথেষ্ট সাহস এবং দক্ষতা প্রয়োজন। আবার অন্য একটি অংশের দাবি, নৃত্য অবশ্যই শিল্প, কিন্তু দেবী কালীর মতো ধর্মীয় চরিত্রকে উপস্থাপনের সময় আরও সতর্ক থাকা উচিত। ফলে একই ভিডিয়োকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত দুই মত।

আনন্দী সাহার এই নাচের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমাজমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে আলোচনা চলছে। কেউ তাঁর নাচের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ পোশাক ও পরিবেশনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। বিশেষ করে দেবীর রূপ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েই বিতর্ক বেশি তৈরি হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে আনন্দী সাহার কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আপাতত তাঁর পারফরম্যান্স ঘিরে তৈরি হওয়া এই বিতর্কই নেটপাড়ার আলোচনার কেন্দ্রে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page