জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘এতদিন সময় লেগে গেল বাংলা ইন্ডাস্ট্রির তোমাকে সম্মান দিতে ? কেন?’ দেবের অদ্ভুত প্রশ্নে মঞ্চে দাঁড়িয়ে কী বললেন টোটা রায়চৌধুরী?

এতদিনে বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় গেম শো ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে বহু তারকার দেখা মিলেছে। কিন্তু এবার এমন একজন অতিথিকে নিয়ে হাজির হলেন দেব, যাঁকে এই মঞ্চে আগে কখনও দেখা যায়নি। নতুন এপিসোডে প্রথমবার ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে পা রাখলেন টোটা রায় চৌধুরী। মেরুন রঙের পঞ্জাবিতে একেবারে বাঙালিবাবুর সাজে হাজির হয়েছিলেন অভিনেতা। তবে শুধু তাঁর উপস্থিতিই নয়, দেবের সঙ্গে টোটার কথোপকথনও নজর কেড়েছে। বিশেষ করে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে টোটার দীর্ঘ পথচলা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁদের আলোচনা উঠে এসেছে।

টোটা রায় চৌধুরী বর্তমানে শুধু বাংলা ছবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির পাশাপাশি হিন্দি ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতেও রয়েছে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা। ‘চোখের বালি’তে মহেন্দ্রর চরিত্র থেকে শুরু করে ফেলুদা হিসেবে দর্শকের সামনে আসা, আবার ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’র মতো হিন্দি ছবিতে অভিনয়, টোটার কেরিয়ারে রয়েছে নানা ধরনের কাজ। ‘শ্রীময়ী’ ধারাবাহিকের রোহিত সেন চরিত্রও তাঁকে টেলিভিশনের দর্শকদের কাছে আরও পরিচিত করে। ফলে ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে দেব যখন জানতে চান, একাধিক ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন, তখন টোটার উত্তরেও উঠে আসে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে তাঁর ভাবনা।

টোটার কথায়, কম সময়ের মধ্যে ভালো কাজ করার ক্ষেত্রে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির ক্ষমতা যথেষ্ট। তাঁর মতে, প্রয়োজনীয় রিসোর্স পাওয়া গেলে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি আরও বড় মাপের ছবি তৈরি করতে পারে। বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর এমন উপলব্ধি হয়েছে বলেই জানান অভিনেতা। অর্থাৎ কাজের পরিধি যতই বাড়ুক, নিজের শিকড়ের ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে তাঁর আগ্রহ এবং বিশ্বাস এখনও একই রকম। টোটার এই বক্তব্যের পরই কথোপকথন অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেন দেব। আর সেখানেই আসে এমন একটি প্রশ্ন, যা টোটার কেরিয়ারের দীর্ঘ পথচলার দিকে নতুন করে নজর টানে।

দেব টোটাকে প্রশ্ন করেন, এতদিন পরে তাঁকে সম্মান জানানো নিয়ে তাঁর কখনও রাগ বা অভিমান হয় কি না। আরও সরাসরি জানতে চান, টলিউডের তরফে এই স্বীকৃতি পেতে এতটা সময় লেগে গেল কেন, এমন প্রশ্ন কি কখনও তাঁর মনে আসেনি? দেবের এই প্রশ্নের উত্তর কী দেন টোটা, তা জানতে অবশ্য পুরো পর্ব সম্প্রচারের অপেক্ষা করতে হবে। তবে প্রশ্নটি যে টোটার দীর্ঘ অভিনয়জীবনকে ঘিরেই, তা স্পষ্ট। ১৯৯৬ সালে অভিনয় শুরু করা টোটা ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন বাংলা ছবিতে। পরবর্তীতে তাঁর কাজের পরিধি ছড়িয়েছে অন্য ইন্ডাস্ট্রিতেও।

এবার ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে টোটার সঙ্গে দেখা যাবে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং তথাগত মুখোপাধ্যায়কেও। ফলে এই এপিসোডে সিনেমা, অভিনয় এবং টলিউডের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে আড্ডা যে জমবে, তা বলাই যায়। টোটার ক্ষেত্রে বিশেষ আকর্ষণ অবশ্যই দেবের সেই প্রশ্ন এবং তার উত্তর। দীর্ঘ কেরিয়ারে নানা ধরনের চরিত্রে কাজ করার পর এখন টোটা যে বাংলা, হিন্দি এবং দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে এগোচ্ছেন, সেই সফরের কথাও উঠে আসবে আড্ডায়। সব মিলিয়ে প্রথমবার ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে টোটার উপস্থিতি দর্শকদের জন্য নিঃসন্দেহে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page