একটা ধারাবাহিক শেষ মানেই নতুন শুরুর জল্পনা। জি বাংলার ‘তুই আমার হিরো’র (Tui Amar Hero) শুটিং শেষ হতেই তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, এবার রুবেল দাসের (Rubel Das) পরের পদক্ষেপ কী? এবার কি স্ত্রী শ্বেতার (Sweta Bhattacharya) সঙ্গে জুটি বেঁধে ছোটপর্দায় ফিরছেন? দীর্ঘদিন ধরে তেমন জল্পনাই শুরু হয়েছে সমাজ মাধ্যম জুড়ে। তবে, অন্যদের মতো তাড়াহুড়ো করে নতুন প্রোজেক্টে ঝাঁপ দেওয়ার ইচ্ছে আপাতত তাঁর নেই।
বরং কিছুটা বিরতি নিয়েই নিজেকে গুছিয়ে নিতে চান অভিনেতা। গত কয়েক বছর ধরে তিনি কার্যত একটানা কাজ করে গিয়েছেন। ‘নিম ফুলের মধু’ শেষ করেই প্রায় বিরতি না নিয়ে শুরু করেছিলেন ‘তুই আমার হিরো’। দুটি ধারাবাহিকের চরিত্র ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। গল্প, মানসিকতা, উপস্থাপনা সব দিক থেকেই। দর্শক সেই পরিবর্তনকে গ্রহণ করেছেন, প্রশংসাও করেছেন। কিন্তু চরিত্র বদলের এই দ্রুত গতির চাপটা যে ভিতরে ভিতরে কাজ করে, সেটাও অস্বীকার করছেন না রুবেল।
এবার তাই নতুন কাজে যোগ দেওয়ায় আগে, তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনে সময় দিতে চাইছেন। বিয়ের পর ব্যস্ত শুটিং সূচির কারণে স্ত্রী শ্বেতার সঙ্গে খুব বেশি সময় কাটানো হয়ে ওঠেনি। স্ত্রী বারবার আক্ষেপ করেছেন হানিমুন পর্যন্ত যেতে পারেননি। সেই আক্ষেপটাই এবার পূরণ করতে চান তিনি। সংসারকে সময় দেওয়া, একসঙ্গে নির্ভার কিছু দিন কাটানোর মতো এই সহজ ইচ্ছেগুলোই এখন তাঁর অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে।
অভিনেতা হিসেবে একটা চরিত্র থেকে বেরিয়ে অন্য চরিত্রে ঢোকা সবসময় সহজ নয়। মাঝে একটু থেমে নিজের ভিতরটা পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার হয়। সেই জায়গা থেকেই এই বিরতির সিদ্ধান্ত। নিজেকে সময় না দিলে পরের কাজেও পুরো মন দেওয়া যায় না, এমনটাই মনে করেন তিনি। তবে, অবসর মানেই কিন্তু একেবারে কাজ থেকে দূরে থাকা নয়। শরীরচর্চা আর নাচ তাঁর বহু দিনের পছন্দের জায়গা। ব্যস্ততার কারণে যেগুলো নিয়মিত করা যায়নি, সেগুলোর দিকেই এবার মন দেবেন।
আরও পড়ুনঃ ২৪-এ পা, আনন্দের মাঝেও এক চিলতে বিষাদ! জন্মদিনে মন খারাপ মিঠাই রানির! হলুদ সালোয়ারে উজ্জ্বল সৌমিতৃষা, তবু ক্যাপশনে আক্ষেপের সুর! কেন মন ভাঙল তাঁর?
নতুন প্রোজেক্টে সই করার আগে নিজের জীবনটাকে একটু ধীর গতিতে উপভোগ করতেই চান রুবেল। তবে, এই বিরতি যে দীর্ঘমেয়াদি হবে, এমন ইঙ্গিতও দিচ্ছেন না তিনি। ভালো গল্প আর শক্তিশালী চরিত্র পেলে আবারও ক্যামেরার সামনে ফিরতে তাঁর আপত্তি নেই। আপাতত একটু সময় নেওয়া, নিজের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানো আর মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করাই লক্ষ্য। কারণ তাঁর বিশ্বাস, পর্দায় সতেজভাবে ফিরতে হলে ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যটাও সমান জরুরি।
