জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

Ichche Putul: ‘এই পরিবারের চার জনই বেশ অদ্ভুত, বাবা বড় মেয়ের বিয়ে নিয়ে চিন্তিত নয় আর মা ছোট মেয়েকে পাত্তা দেয় না’! ‘ইচ্ছে পুতুলে’ দুই বোনের গোটা পরিবার দেখে এমনই বলছে দর্শকরা

জি বাংলার পর্দায় কয়েকদিন আগে শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘ইচ্ছে পুতুল’।এই ধারাবাহিকের মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে তিতিক্ষা ঘোষ, মৈনাক বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্বেতা মিশ্র। এই ধারাবাহিক শুরুর পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ইচ্ছে নদী’কে নকল করা হয়েছে এই গল্পে।

এখানে দেখা যায় ময়ূরীর এমন একটি অসুখ রয়েছে যার জন্য মেঘকে তাকে রক্ত দিতে হয়। উল্টোদিকে ময়ূরী অসুস্থ হওয়ার জন্য তার মা তাকেই বেশি সামলে রাখে আর কথায় কথায় মেঘকে কথা শোনায়। এরই মধ্যে নায়ক সৌরনীল হল মেঘের প্রফেসর যাকে ময়ূরী পছন্দ করে।

আবার দেখা যায় সৌরনীল মেঘকে পছন্দ করে এবং মেঘও সৌরনীলকে। কিন্তু বাড়ির থেকে ময়ূরীর সঙ্গে সৌরনীলের বিয়ে ঠিক করা হয়। উল্টোদিকে ময়ূরীর যে কোন একটি অসুখ রয়েছে, সে কথা এখনো সৌরনীলের পরিবারের কাউকে জানানো হয়নি। এমনকি এতদিন থেকে মেঘ ময়ূরীকে রক্ত দিয়ে প্রাণে বাঁচিয়ে আসছে সেটাও কাউকে জানতে দেয়নি ময়ূরীর মা। ময়ূরীর মা মেঘ তার নিজের মেয়ে হলেও তার সাথে এমন ব্যবহার করে যা দেখে দর্শকরা বলছে, সে যেন তার সৎ মেয়ে। এই গল্প নিয়ে খুব একটা খুশি হতে পারছে না কেউই।

কারণ দর্শকদের মতে মেঘ ময়ূরী এবং তার বাবা মা সকলেই কেমন যেন অদ্ভুত। কোন স্বাভাবিক ফ্যামিলিতে এমন চরিত্র দেখতে পাওয়া যায় না। জানিয়ে অত্যন্ত চর্চা চলছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। সম্প্রতি এক নেটিজেন এই নিয়ে লিখেছে,”এই পরিবারের চার জন ই বেশ অদ্ভুত
বড় বোন অকারণে ছোট বোনকে বলে হিংসে করে, বাবার কাছে নালিশ করে , ওর ভালো সহ্য করতে পারে না, ব্লাহ ব্লাহ।
ওইদিকে ছোট বোন বলে আমি কখনো বিয়ে করবো না দিদি তোকে বাঁচিয়ে রাখবো কেন ভাই এগুলা বলার কি দরকার।

আর মা তো এমন ব্যাবহার করে ছোট মেয়ে যেনো তার সৎ মেয়ে… কথায় কথায় শুধু বলে আমরা আমাদের বড় মেয়েকে বাঁচানোর জন্যই মেঘ কে এই পৃথিবীতে এনেছি। কি অদ্ভুত
অন্যদিকে বড় মেয়ের বিয়ে বাবার কোনো মাথা ব্যথা নেই, এমন এক ভাব যেনো তার কিছুই এসে যায় না। এটা আবার বাড়াবাড়ি
আর মা মেয়ে ই বা কেমন বড় মেয়ের অসুখের কথা তো সবাই কে বলে বেড়ায়, তো ছোট মেয়ে রক্ত দেয় বললে কি সমস্যা।”

Ratna Adhikary

                 

You cannot copy content of this page