জি বাংলার ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’র (Jowar Bhanta) আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, একদিকে যেমন উজি সেই সায়ন্তনের জুতো জোড়া খুঁজে পায় আর অন্যদিকে দুর্জয় ঘোষাল পালিয়ে যায়। এদিকে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে সায়ন্তন আবার খেয়ার উপর অত্যাচার শুরু করে। ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরে গান চালিয়ে দেয়, যাতে বাইরের কেউ কিছু শুনতে না পায়। এরপর খেয়াকে বেঁধে মারতে শুরু করে।
সায়ন্তনের দাবি, খেয়া কেন তার পরিবারের লোকেদের থেকে নিজের ভাগের সম্পত্তি চাইছে না। যেখানে বাড়ির বড় জামাইকে সবাই মাথায় করে রাখছে, সেখানে সায়ন্তনের মনে হচ্ছে ওকে কেউ পছন্দ করে না। এইসব বিষয় নিয়ে কেন খেয়া স্বামীর হয়ে কথা বলে না, সেই অপরাধে বেল্ট দিয়ে মারতে যাবে এমন সময় ঘরের দরজা খুলে ভেতরে আসে ঋষি, সায়ন্তনের গলা শুকিয়ে যায় তাকে দেখে। এরপর সেখানে উপস্থিত হয় আরও এক ঋষি!
সায়ন্তন বিষয়টা কিছুটা আন্দাজ করতে পেরে তাদের পরিচয় জানতে কাছে গেলে বেল্ট দিয়ে দুই ঋষি তাকে মারতে শুরু করে। শেষে আসল ঋষি এসে জানায় যে, যেভাবে সায়ন্তন ঋষি সেজে নিশাকে গুলি করেছিল ঠিক সেভাবেই এরাও ঋষি সেজেছে। এরপর মুখোশ খুলতেই জানা যায়, ওই দুই ঋষি আসলে নিশা আর উজি! তারপর খেয়াকে খুলে দিয়ে নিশা বলে সায়ন্তনকে শাস্তি দেওয়ার একমাত্র অধিকার খেয়ার।
খেয়াকে সাহস যোগায় সবাই মিলে, এক মুহূর্তে খেয়ার মনে পড়ে যায় শৈশবে তার সঙ্গে হওয়া সেই নারকীয় অত্যাচারের কথা। আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না খেয়া। সে সায়ন্তনকে ইচ্ছা মতো মারে। এত চিৎকার শুনে বাড়ির লোকেরাও বুঝতে পারে না কি হচ্ছে, এদিকে সায়ন্তনের বাড়ির লোকেরাও ব্যানার্জী বাড়িতে উপস্থিত হয়। এরপর সায়ন্তনকে সবার সামনে এনে একে একে সব প্রমাণ করতে থাকে উজি।
আরও পড়ুনঃ এক অদ্ভুত সাক্ষাতেই বদলে গেল পরিস্থিতি! রাগে ফুঁসছেন পল্লবী, কেন পুলিশ কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হু’মকি আদিত্যকে? ঝিনুকের বিয়ের নিমন্ত্রণ করতে গিয়ে অজান্তেই একি করল কমলা? ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের ধুন্ধুমার পর্ব!
প্রথমে সবাই উজিকেই দোষ দেয়, সায়ন্তনের বাবা-মাও বিশ্বাস করে না যে ছেলে এমন কিছু করেছে। তবে, এক পর্যায়ে সায়ন্তন নিজের মুখে বলে ফেলে যে একটা জুতো দিয়ে তার কিচ্ছু করতে পারবে না উজি। তখনও সবাই বুঝতে পারে যে সায়ন্তন কত বড় অপরাধী। তারপর পুলিশে ফোন করে গ্রেফতার করার জন্য। বোঝাই যাচ্ছে ধারাবাহিকের আগামী পর্ব আরও জমজমাট হতে চলেছে।
