জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এর (Kamala Nibas) আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, আদিত্যর বাড়িতে সবাই ঝিনুকের ধুমধাম করে বিয়ে নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। কথার মাঝে পল্লবীর নামও উঠে আসে। আদিত্য ঠাকুমা জানায় যে নিজের কপালের দোষেই বিয়ের দিন স্বামীকে খেয়েছে সে। ওই মেয়ের কপালে সংসার কোনদিনও জুটবে না। এদিকে আদিত্য এখনও সেই রাতের কথা মনে করে কষ্ট পাচ্ছে।
হঠাৎ তার বৌদি এটা দেখতে পেয়ে একটু দূরে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলার মিথ্যে অভিনয় শুরু করে। ফোনে সে পল্লবীকে নিয়েই কথা বলে। সেখানেই আদিত্য শুনতে পায় মিঠি পল্লবীর নিজের মেয়ে নয়। বরং সাগর মারা যাওয়ায় পল্লবী তার অভিভাবকের দায়িত্ব নিয়েছেন। আদিত্য নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারে না। বৌদিকে জিজ্ঞেস করতে কি নিয়ে সবটা বলেন যে পল্লবীর এখনও বিয়ে হয়নি। আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় আদিত্য।
ওদিকে ঝিনুক তখনও ঘুম থেকে ওঠেনি, সম্রাট কফি বানিয়ে তার জন্য নিয়ে আসে। ঘুমন্ত অবস্থায় ঝিনুককে সে অদ্ভুত ভাবে দেখতে থাকে আর বলে আজ থেকে এত কাছ নিয়ে একমাত্র সে-ই ঝিনুককে দেখবে। এরপর তাকে স্পর্শ করতেই ঘুম ভেঙে যায় ঝিনুকের। দুজনের মধ্যে কথা আদান-প্রদান হয় এবং বিছানা দিয়ে উঠতে গিয়ে হঠাৎ ঝিনুকের হাত লেগে যায় কফির কাপে এবং সেটি নিচে পড়ে যায়। মুহূর্তেই সম্রাটের অভিব্যক্তি বদলে যায়।
ঝিনুক লক্ষ্য করে ঠিক সেদিন ঠাকুর ঘরের মতোই অদ্ভুত আচরণ করছে সম্রাট। ভয় পেয়ে নিজে পরিষ্কার করে দেবার প্রস্তাব দিলেও সম্রাট কিছুতেই তাকে দেয় না পরিষ্কার করতে। বরং নিজেই এমন ভাবে পরিষ্কার করতে থাকে যেন কোনও বড় অপরাধ হয়ে গেছে। তারপর সম্রাট যখন ঝিনুককে জানতে চায় এই বাড়িতে তার কেমন লাগছে। ঝিনুক জানায় নিজের বাড়িতে অত লোক ছেড়ে একাই বাড়িতে তার একটু অদ্ভুত লাগছে। এটা শোনায় সম্রাট আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ উপস্থিত ছিলেন না নীলের জন্মদিনের পার্টিতে, জামাইষষ্ঠীও পালন করেননি! বিচ্ছেদের জল্পনার মাঝে কী জানালেন তৃণা সাহা?
তারপরে আবার দুজনের মধ্যে কথা বিনিময় হয় এবং ফুলশয্যা উপলক্ষে একটি শাড়ি উপহার দেয় ঝিনুককে সম্রাট। এত সুন্দর শাড়ি দেখে ঝিনুক কিছুটা অবাক হয়ে যায় এবং অস্বস্তি বোধ করে। সম্রাট জানাই শুধুমাত্র শাড়িটা পড়ে এলেই সে খুশি হবে। এরপর যেন সুন্দর করে সেজে তার সামনে দাঁড়ায় এবং দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে শুরু করে। ঠিক তখনই একটি আরশোলা ঝিনুকের পায়ে উঠে যায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে ঝিনুক সেখান থেকে সরে যায়। রাগে ফেটে পড়ে সম্রাট, হঠাৎ আরশোলাটি হাতে তুলে সোজা মুখে পুরে যায় সে!
