জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

Neem Fuler Modhu: প্রেমের সপ্তাহে প্রেম উথলে পড়ে সৃজন জড়িয়ে ধরবে পর্ণাকে! ছেলে-বৌমার অন্তরঙ্গ মুহূর্তে কুচুটে শাশুড়ি বলে ওঠে এটাই শেষ হাগ! “ছি এ মা কিন্তু সতীনের মতো আচরণ”, রেগে লাল দর্শক 

জি বাংলার পর্দায় কয়েক মাস আগে যে কটি নতুন ধারাবাহিক শুরু হয়েছে তার মধ্যে খুব তাড়াতাড়ি দর্শকদের মনে ধরেছে এবং আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে নিম ফুলের মধু। একেবারে পারিবারিক প্রেক্ষাপটে শাশুড়ি বৌমার সম্পর্ক নিয়ে সমীকরণ মুহূর্তে মুহূর্তে পাল্টাচ্ছে সেটা নিয়েই এই গল্প।

সেখানে মন কষাকষি ঝগড়া রাগ সবকিছু যেমন আছে তেমন আধুনিক বাড়ির মেয়ে হয়েও বাড়ির বৌমা পর্না শ্বশুর বাড়ির অনেক নিয়ম মেনে নিচ্ছে কিন্তু যেটা তার ভুল মনে হচ্ছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। তবে সবসময় যে ব্যাপারটা খুব সিরিয়াস তা নয় মাঝে মাঝে কিছু হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যেটা দেখে দর্শকরা হেসে কূল পাচ্ছে না।

ভিন্ন মানসিকতার মানুষের মধ্যে বিয়ে হওয়ার পরে একটা মেয়েকে শ্বশুরবাড়ি এসে ঠিক কী কী সম্মুখীন হতে হয় সেটাই স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরা হয়েছে এই সিরিয়ালে। তার উপরে পর্নার শাশুড়ি যে কোড নামে শুরু করেছে সেটা নিয়ে মাঝে মাঝেই বিরক্ত হয়ে পড়ছে দর্শকরা। আর বারবার মনে করছে তার ছেলে তার হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে তাই ছেলেকে বশ করে রাখতে চাইছে।

এখন প্রথমদিকে সৃজন মায়ের কথায় উঠাবসা করলেও আস্তে আস্তে বউয়ের প্রতি যত্নশীল এবং কর্তব্য পরায়ন স্বামী হয়ে উঠছে। দর্শকরা সোশ্যাল মিডিয়াতে সৃজনের চরিত্রটিকে দারুন ভাবে প্রশংসা করে ভরিয়ে দিচ্ছে। নিম ফুলের মধুর নতুন প্রোমো সামনে এসে গেছে যেখানে স্পষ্ট যে দত্ত পরিবারে এবার প্রেম দিবস উদযাপন করা হবে। দও বাড়িতে অনুষ্ঠান হচ্ছে আর সেখানে সৃজন পর্ণাকে হাগ করবে। এই দেখে বাবুর মায়ের রাগ শিওরে উঠে যায়। তবে রাগের বশবর্তী হয়ে শাশুড়ি হিসেবে সে যে কথাগুলি বলে সেগুলি হজম করতে পারছে না দর্শকরা।

এই নতুন ঝলক দেখে নিজেদের রাগ সামলে রাখতে পারল না দর্শকরা। একজন সরাসরি লিখেই দিলেন “নিম ফুলের মধু নতুন প্রমোটা বেশি ক্রিঞ্জি হয়ে গেলোনা? বউ-ছেলে হাগ করে,এটা দেখে “এটাই শেষ হাগ”.. এ ধরণের কথা কোন কেয়ারিং মা বলেন তা জানিনা আমি। স্ক্রিপ্ট রাইটাররা মাঝে মাঝে বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেন। ছেলে বিয়ে করিয়েছিলেন কেনো,বাবুর মা? উনি রীতিমতো সতীনের আচরণ করছেন”।

Titli Bhattacharya

                 

You cannot copy content of this page