জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরিণীতা’তে (Parineeta) আবারও গল্প নিয়েছে নতুন মোড়! বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে টিআরপি কিছুটা নিম্নমুখী হলেও, ধারাবাহিক ফের দর্শকের আগ্রহ কেড়ে নিয়েছে। তারই মধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে এক ঝাঁঝালো প্রোমো, যা দেখে বোঝাই যাচ্ছে নির্মাতারা এবার সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আরও অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে চাইছেন! রায়ান আর পারুলের সম্পর্ক এতদিন যেন কাগজে-কলমে আটকে ছিল। না ঠিক দূরে, না একেবারে কাছে।
কিন্তু এবার পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আর এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। ফুলশয্যার রাতের ঘটনার পর থেকেই বাড়ির সকলে বুঝতে পারে, এভাবে চলতে থাকলে দুইজনের সম্পর্কের জট খুলবে না। আদালতের নির্দেশে ফুলশয্যার আয়োজন হলেও, সেই রাতও শান্তিতে কাটেনি। পারুলের অসুস্থ হয়ে পড়া, আর রায়ানের মনের কথা না বলা মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এরই মধ্যে নতুন পরিকল্পনা মাথায় আসে পরিবারের।
রায়ানের বাবা মনে করেন, পরিবেশ বদলানো দরকার। তাই ঠিক হয়, দু’জনকে পাঠানো হবে এক প্রাচীন মহাদেবীর মন্দিরে, যেখানে নাকি বিশেষ এক জনশ্রুতি প্রচলিত আছে। শোনা যায়, পূর্ণিমার রাতে সেই মন্দির চত্বরে এক রহস্যময় কাপালিক নাকি সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে বলি দিতে উদ্যত হয়! আর সেই বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায়, স্বামীর মুখে সত্যিকারের ভালোবাসার স্বীকারোক্তি। এই কাহিনি শুনে প্রথমে বিষয়টি অবাস্তব বলেই মনে হতে পারে। কিন্তু প্রোমোতে যা দেখা যাচ্ছে, তা নিছক গল্পের মোড় নয় যেন সম্পর্কের চূড়ান্ত পরীক্ষা!
মন্দিরের বাইরে পারুলকে বলির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, চারপাশে অদ্ভুত এক উত্তেজনা। ঠিক সেই সময় ছুটে আসে রায়ান। এতদিন ধরে নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করা মানুষটি অবশেষে প্রকাশ্যে স্বীকার করে ফেলে নিজের ভালোবাসার কথা। কিন্তু পরিস্থিতি এত সহজে থামে না। শিরিনের ইশারায় কাপালিক রামদা হাতে এগিয়ে যায় পারুলের দিকে। মুহূর্তটা টানটান, আর দর্শকের মনে একটাই প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত কী হবে? ভালোবাসার স্বীকারোক্তি কি যথেষ্ট, নাকি আরও বড় কোনও বিপদ অপেক্ষা করছে?
আরও পড়ুনঃ ‘মাঝ বয়সে বিয়ে করেছে বাচ্চা ছেলেকে!’ বয়স বিতর্কে মুখ খুললেন অনামিকা চক্রবর্তী! স্বামী উদয়ের আসল বয়স করলেন ফাঁস! দু’জনের বয়সের পার্থক্য কত, জানলে চমকে যাবেন!
আপাতত সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে আসন্ন পর্বেই। ২৬ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারির পর্ব ঘিরে তাই বাড়ছে উত্তেজনা। রায়ান কি সত্যিই পারুলকে বাঁচাতে পারবে? নাকি নতুন কোনও চক্রান্ত সামনে আসবে? সম্পর্ক, বিশ্বাস আর সাহস, এই তিনের লড়াই এখন কেন্দ্রে। নতুন প্রোমো দেখে স্পষ্ট, সামনে আসছে এমন কিছু মুহূর্ত যা শুধু গল্পের গতি নয়, চরিত্রগুলোর ভবিষ্যৎও বদলে দিতে পারে। দর্শকদের এখন অপেক্ষা, এই পরীক্ষায় কে জেতে? ভয়, না ভালোবাসা?
