জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ম্যানিপুলেটর, স্কিমবাজ!” রাহুলের মৃ’ত্যুর বিচারের দাবিতে সোচ্চার, তবুও ওকেই কেন টার্গে’ট করা হচ্ছে? অভিনেতার পাশে দাঁড়িয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের!

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নিরাপত্তার প্রশ্নে একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ৭ এপ্রিল, টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে প্রযোজক, শিল্পী এবং টেকনিশিয়ানদের নিয়ে একটি জরুরি মিটিং হয়। সেখানে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়, যার ফলে “ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স” প্রযোজনা সংস্থাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কেই টার্গেট করে কটাক্ষ করা হয়। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে অভিনেতা সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করে জানান, “রাহুলের মৃত্যু নিয়ে যখন আলোচনা শুরু হয়, তখন অনেকেই অভিযোগ তোলেন যে আর্টিস্ট ফোরাম কিছুই করছে না। এমনকি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নানা কটাক্ষ করা হয়। কিন্তু যখন তিনি দায়িত্ব নিয়ে সবাইকে একত্রিত করলেন, তখন কিছুই বলা হয়নি। আজ যারা প্রসেনজিৎকে ম্যানিপুলেটর বলে আক্রমণ করছেন, তারা কি জানেন না যে রাহুলের মৃত্যুর পর তিনি ৭ দিন ধরে সক্রিয় ছিলেন, অথচ এসব কেউ দেখেনি?” সুরজিৎ আরও বলেন, “এই সিদ্ধান্ত একা প্রসেনজিৎ নেননি, তিনি সবাইকে নিয়ে কাজ করেছেন।”

এছাড়া, সুরজিৎ আরো বলেন, “রাহুলের মৃত্যুর পরই যখন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন অভিযোগ উঠেছে যে প্রসেনজিৎ একা সব কিছু ঠিক করছেন। কিন্তু এসব সিদ্ধান্ত অনেকের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হয়েছে। যারা এখন তাঁকে আক্রমণ করছেন, তাদের উচিত ছিল একবার চিন্তা করা যে কীভাবে সবার ভালো মঙ্গলের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ধরনের আক্রমণ একেবারেই অযৌক্তিক।” সুরজিৎ আরও যোগ করেন, “এতদিন যারা নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছিলেন, এখন যখন সক্রিয় হতে দেখা যাচ্ছে, তখন তাদেরও একইভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে।”

এদিন সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রীলেখা মিত্রেরও সমালোচনা করেন। ৭ এপ্রিল টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে শ্রীলেখা মিত্র অশ্রুসিক্ত হয়ে নিজের নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে চিৎকার করেছিলেন। সুরজিৎ বলেন, “এই ধরনের নাটক করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তিনি নিজের জন্য মিডিয়ার attention চেয়েছেন। তার কান্নার ছবি পোস্ট করার জন্য যেন সবাই তাকে বেশি করে জানতে পারে। এটা ছিল একেবারে এক ধরনের ফোকাস পাওয়ার চেষ্টা।” সুরজিৎ আরও বলেন, “এটা ছিল তার নিজস্ব ব্যক্তিগত অ্যাজেন্ডা, যা শিল্পী সমাজের জন্য কোনওভাবে উপকারী ছিল না।”

শেষে সুরজিৎ বলেন, “এতদিন যারা অভিযোগ তুলেছিল, তাদের আজ ভুলত্রুটি ধরছে সবাই। নিষ্ক্রিয়তার জন্য দোষী, আর সক্রিয় হওয়ার জন্যও দোষী। এই ধরনের আক্রমণ যেন কিছুতেই সহ্য করা যাচ্ছে না। প্রসেনজিৎ বা অন্য কারো বিরুদ্ধে যেসব অপবাদ দেওয়া হচ্ছে, তা মোটেই সঠিক নয়। শিল্পীদের জন্য সবাই একযোগে কাজ করছে, এবং এর জন্য সবার সমর্থন প্রয়োজন।”

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page