‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে ফের উত্তেজনা। এবার মুখোমুখি গায়ক দুর্নিবার সাহা এবং অভিনেত্রী নন্দিনী দত্ত। একটি সাধারণ কথা কাটাকাটি থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় রাজবীর দে’র সঙ্গে নন্দিনীর সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে এমন মন্তব্য করেন দুর্নিবার, যা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান নন্দিনী। কথার লড়াই একসময় এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে ঘরের পরিবেশও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ঘটনার শুরু দুর্নিবারের একটি বিষয় নন্দিনীকে বোঝানোর চেষ্টা থেকে। কিন্তু নন্দিনী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি দুর্নিবারের কাছ থেকে কিছু শিখতে চান না। পালটা দুর্নিবার তাঁকে ব্যঙ্গ করে ‘মহাবিদ্বান’ বলে মন্তব্য করেন। এতে আরও রেগে যান নন্দিনী। তিনি বলেন, দুর্নিবারের মতো গুরু হওয়ার চেয়ে মরে যাওয়াই ভালো। এরপর নন্দিনী দাবি করেন, একটা সময় দুর্নিবারের জন্য তিনি পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় দুর্নিবার নাকি ধ্যান করছিলেন বা ঘুমিয়ে ছিলেন।
নন্দিনীর সেই কথার জবাব দিতে গিয়েই রাজবীরকে প্রসঙ্গে আনেন দুর্নিবার। তিনি বলেন, ‘বিছানায় গিয়ে তো আর শুনতে যাব না।’ এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে নন্দিনী জানতে চান, বিছানায় যাওয়ার কথা কেন বলা হচ্ছে। তখন দুর্নিবার আরও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন এবং রাজবীরের সঙ্গে নন্দিনীর সমীকরণের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘বিছানাতেই তো থাকিস দুজনে।’ তাঁর এই কথাতেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
দুর্নিবারের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন নন্দিনী। তাঁর বক্তব্য, কোনও মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় ‘বিছানা’ শব্দটি টেনে আনা উচিত নয়। দুর্নিবার অবশ্য জানান, মেয়েদের অপমান করার উদ্দেশ্যে তিনি এমন কিছু বলেননি। কিন্তু নন্দিনী তাঁর কথায় সন্তুষ্ট হননি। তিনি দুর্নিবারকে ‘সুবিধাবাদী ফেমিনিস্ট’ বলে কটাক্ষ করেন এবং প্রশ্ন তোলেন, তাঁর কথার অর্থ কি এই যে তিনি রাজবীরের সঙ্গে বিছানায় থাকেন। এমনকী রাগের সময় তিনি নিজে থাকলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যেত বলেও জানান নন্দিনী।
আরও পড়ুনঃ ‘পরিণীতা’য় শেষ হচ্ছে কি ‘দাদু’র পথচলা? সত্যিই কি আর দেখা যাবে না প্রিয় চরিত্রকে? সুব্রত গুহ রায়ের রহস্যময় পোস্ট বাড়িয়েছে জল্পনা, এবার অভিনেতার কথায় মিলল কি স্পষ্ট উত্তর?
৩০ অগস্ট থেকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় শুরু হয়েছে ‘বিগ বস বাংলা’। ইতিমধ্যেই জয়িতা চট্টোপাধ্যায়, অ্যালেক্সজান্দ্রা টেলর এবং সায়ক চক্রবর্তী খেলা থেকে বিদায় নিয়েছেন। অনিন্দ্য সেনগুপ্তের পর ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে এসেছেন রাজবীর দে এবং পরে জীতু কামালও ঘরে প্রবেশ করেছেন। এছাড়াও রয়েছেন ভরত কল, মনামী ঘোষ, সৃজলা গুহ, নিরঞ্জন মণ্ডল, ঝিলম গুপ্ত, সোনামণি সাহা, তনুশ্রী রায় দাস, সোহিনী পাল এবং দীপেন্দু বিশ্বাস। এই পরিস্থিতিতে দুর্নিবার এবং নন্দিনীর ঝামেলা নতুন করে শোরগোল তৈরি করেছে।
