জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

১২ বছর পর কাজের ফিরতেই আবেগে ভেসে কেঁদে ফেললেন কুমার শানু! ৯০-এর দশকের গানের রাজা, কাজের অভাবে দীর্ঘদিন কঠিন সময় নিয়ে মুখ খুললেন গায়ক?

বলিউডের কিংবদন্তি গায়ক কুমার শানু ৯০-এর দশকে ফিল্মফেয়ার বেস্ট সিঙ্গার পুরস্কার টানা পাঁচবার জিতেছেন। তিনি এক দিনে ২৮টি গান রেকর্ড করার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডও নিজের নামে রেখেছেন। এমন সফলতা সত্ত্বেও তার কেরিয়ারে এমন সময় এসেছে যখন তার কাছে কাজ ছিল না। সম্প্রতি টিভি রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’-তে এই ঘটনা শেয়ার করেছেন গায়ক অনু মালিক। তিনি জানান, এটি কুমার শানুর জন্য খুবই কঠিন সময় ছিল। প্রায় ১২ থেকে ১৩ বছর ধরে কোনও সিনেমা বা গান করার সুযোগ তার কাছে আসছিল না।

অনু মালিক জানান, তখন কুমার শানু নিজেই কোনও কাজ খুঁজতে যাননি। তিনি কেবল অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ একদিন তার কাছে একটি বার্তা আসে, যাতে লেখা ছিল, “অনু জি আমার অফিসে এসে মিলুন।” এটি ছিল প্রখ্যাত প্রযোজক আদিত্য চোপড়ার পক্ষ থেকে। এরপর আদিত্য চোপড়ার অফিসে গিয়ে অনু মালিক জানতে পারেন, কুমার শানুর জন্য একটি সিনেমার গান গাওয়ার প্রস্তাব এসেছে। পরিচালক ছিলেন শরৎ কাটারিয়া এবং সিনেমার নায়ক আয়ুষ্মান খুরানার চরিত্রটি কুমার শানুর বড় ভক্ত।

অনু মালিক বলেন, তিনি কুমার শানুকে বাড়িতে ডেকে একটি গান রেকর্ড করতে বলেন। “আমি একটি মুখড়া তৈরি করেছি, আপনি এটিকে গাওয়ান,” তিনি শানুকে জানান। এই কথা শোনার পর কুমার শানু আবেগে কেঁদে ফেলেন। অনু মালিকও বলেন, “এই দিনটি আমি কখনও ভুলতে পারব না।” এই সময়ে গাওয়া গানটি ছিল ‘তুম সে মিলে দিল মে উঠা দারদ কারারা’, যা সিনেমা ‘দম লাগাকে হাইশা’-তে ২০১৫ সালে মুক্তি পায়।

কুমার শানু ৯০-এর দশকে হিন্দি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে রাজত্ব করেছিলেন। সিনেমা ‘আশিকী’-র গান দিয়ে তিনি নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছিলেন। এরপর সলমন খানের ‘সাজন’, শাহরুখ খানের ‘দেওয়ানা’ এবং ‘বাজিগর’-এর গানগুলো অসাধারণ সাফল্য পেয়েছিল। প্রায় তিন দশক ধরে তিনি বলিউডের সঙ্গীত জগতে জনপ্রিয়তার চূড়ায় ছিলেন। তার স্বর ও গান বহু মানুষকে মুগ্ধ করেছিল।

আরও পড়ুনঃ শাকিব খানকে সুরুচি সঙ্ঘে ডেকে এনে চাপে ফেলেছিলেন স্বরূপ বিশ্বাস! দেন হুঁশি’য়ারিও! বি’স্ফোরক দাবি বাংলাদেশি প্রযোজকের

কিন্তু সময়ের সঙ্গে মানুষের রুচি বদলায়। নতুন গায়করা এসেছেন, নতুন ধরনের সঙ্গীত প্রবণতা এসেছে। একসময় দিনে ২৮টি গান রেকর্ড করা কুমার শানুর কাছে এখন আগের মতো কাজের সুযোগ নেই। তবে সেই দীর্ঘ সময়ের পর একটি গান পেয়ে তিনি যে আবেগে কেঁদেছেন, তা তার ভক্তদের জন্যও হৃদয়ছোঁয়া মুহূর্ত। কুমার শানুর এই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, সফলতা আস্তে আস্তে ফিরে আসে, কিন্তু কখনো হারানো যায় না।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page