Sushant Rhea: “তুমি তো বে’শ্যা ছিলে, আছো, থাকবে”! সুশান্ত নেই, নাম না করেই ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ড রিয়াকে প্রকাশ্যে আক্রমণ দিদির

এই মুহূর্তে বলিউডের তরুণ অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম হলেন অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২০ সালের ১৪ই জুন-এর পর থেকে তাঁর জীবনটা অনেকটাই বদলে গেছে। আজ থেকে কয়েক বছর আগে বলিউডের অন্যতম প্রতিভাবান অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎই করোনা মহামারীর মাঝে লকডাউনের এক সকলে কোনও এক অজ্ঞাত কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন অভিনেতা। সুশান্তের মৃত্যুর দায় পরোক্ষভাবে চাপে অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর ওপর। অভিনেতার পরিবার আজ‌ও বিশ্বাস করে সুশান্তের জীবন শেষ করে দেওয়ার পিছনে অন্যতম কারণ রিয়া।

সুশান্তের মৃত্যুর পর মাদক মামলায় নাম জড়ায় রিয়ার। শুধু অভিনেত্রী একা নন, হাজতবাস হয় রিয়া ও তাঁর ভাই শৌভিক চক্রবর্তীর‌ও।সুশান্ত আত্মহত্যা করেছিলেন কেন সেই উত্তর চিরকালের মত অজানা থাকলেও তাঁর মৃত্যুর পিছনে দায়ী রিয়া এটা এক বাক্যে মেনে নিয়েছিল সবাই।

বেশ কয়েক মাস হাজত বাসের পর জামিন পান রিয়া। তারপর থেকেই স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছিলেন রিয়া। আবার কাজ শুরু করার কথা ভাবছিলেন। আর এবার দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে ফিরছেন তিনি। ‌টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘রোডিজ়’-এর আগামী সিজ়নে দেখা যাবে রিয়া চক্রবর্তীকে। এই শো’তে গ্যাং লিডারের ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেত্রীকে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে সেই ঝলক। সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে গেছে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওর ঝলকে রিয়ার প্রশ্ন, ‘কী ভেবেছিলেন? আমি ভয় পেয়ে যাব? আমি আর ফিরব না? দেখা হবে অডিশনে।’

রিয়ার এই ভিডিও ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রিয়ার নাম উহ্য রেখে সুশান্তের বোন প্রিয়ঙ্কা সিং লেখেন ‘তুমি কেন ভয় পাবে! তুমি তো বে’শ্যা ছিলে, আছো, আর ভবিষ্যতেও থাকবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু প্রশ্ন একটাই যে তোমার খদ্দের কারা। নিশ্চয়ই প্রভাবশালী কেউ, যিনি তোমাকে এই কাজের সাহস জোগাচ্ছেন।’ অভিনেতার বোনের টুইট দেখে স্পষ্ট যে তাঁর নিশানায় রয়েছেন রিয়া। এমনকি সুশান্তের ভক্ত-অনুরাগীরাও ‘রোডিজ’ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। উল্লেখ্য সুশান্তের পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে যে রিয়া চক্রবর্তী পিছনে প্রভাবশালীদের হাত রয়েছে আর যে কারণে সুশান্ত মৃত্যু তদন্ত সেই অর্থে এগোয়নি।

Ratna Adhikary

                 

You cannot copy content of this page