জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

জাতীয় পুরস্কার পেলেও কাজ নেই বাংলায়! ‘বিবি পায়রা’র পরিচালক অর্জুন দত্তর কণ্ঠে আক্ষেপ, উঠে এল টলিপাড়ার কোন অন্ধকার চিত্র?

বাংলা সিনেমার প্রতিভাবান পরিচালক অর্জুন দত্ত সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে টলিপাড়ার কিছু অজানা দিক নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর পরিচালিত ছবি ‘বিবি পায়রা’তে প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করেছেন দুই প্রথম সারির অভিনেত্রী, পাওলি দাম ও স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। এই ছবির শুটিংয়ের সময় তাঁদের মধ্যে কোনও ধরনের ঝগড়া বা ‘ক্যাটফাইট’ ছিল কিনা, এমন প্রশ্ন উঠে আসে। তবে, এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন হাস্যরসের মধ্যে, এবং জানালেন, তাদের মধ্যে কোনও ঝামেলা ছিল না। ছবির শুটিংয়ের পরিবেশ ছিল বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পেশাদার।

তবে, সবার নজর ছিল অর্জুন দত্তর দিকে, কারণ তিনি জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত পরিচালক। এমন একজন পরিচালক কেন কাজ পাচ্ছেন না? নিজের হতাশা প্রকাশ করে অর্জুন জানান, “জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পরও কোথায় কাজ? সত্যি বলতে, এখন পর্যন্ত তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। কাজের কোনও পথ সহজ হয়নি।” তিনি আরও জানান, “আমার ছবির বিষয়ে একটু পরিচিতি হয়েছে, তবে সেটা ছাড়া কিছুই এগোয়নি। আমি এমন কোনও কম্প্রোমাইজ করি না, যা দর্শককে মানানসই না। কিন্তু, কিছু পরিবর্তন হয়নি।”

অর্জুন দত্তর কথা থেকে স্পষ্ট যে, একটি জাতীয় পুরস্কারের মতো বড় সম্মান পাওয়ার পরেও শিল্পী হিসেবে কাজের অভাব তাঁর কাছে এক বড় হতাশা। তবে, পরিচালক ভীষণভাবে বিশ্বাস করেন যে, কাজ না পাওয়া তাঁর পরিচালনার অক্ষমতা নয়, বরং তার নীতিবোধের কারণে হচ্ছে। তিনি চান তাঁর কাজের মাধ্যমে আসল গল্পই দর্শকের কাছে পৌঁছাক, তবে কম্প্রোমাইজ না করে। যদিও, নিজের কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাসী হলেও, টলিপাড়ায় কাজ পাওয়ার সমস্যাটি তার কাছে এক বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, ‘বিবি পায়রা’ ছবির শুটিং প্রসঙ্গে পাওলি দাম ও স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সম্পর্কের বিষয়ে সবার কৌতূহল ছিল। পাওলি এ বিষয়ে জানালেন, “আমরা একসঙ্গে শুটিং করেছি, কিন্তু ঝগড়া বা চুলোচুলি তো কখনও হয়নি। আসলে এতটা সময়ই তো পাইনি!” হাসির ছলে, পরিচালক অর্জুন দত্ত জানালেন, “পাওলির কথাটা খুব সুন্দর ছিল—‘শুটিংয়ের সময় আমাদের মধ্যে হিউম্যান ভাইবস ছিল, অ্যানিম্যাল ভাইবস নয়!’”

পরিচালক আরও মজা করে বললেন, “যদি ছবির গল্পে কোনো কারণে দুই নায়িকার মধ্যে অশান্তি দেখানো হত, তবে আমি হয়তো আরও একটু গল্পের মোড় পাল্টে দিতে পারতাম। কিন্তু এক্ষেত্রে এমন কিছু রাখিনি। তবে, যদি ছবির স্বামী চরিত্রে অনির্বাণ চক্রবর্তী থাকতেন, তখন হয়তো দুই নায়িকার মধ্যে চুলোচুলি হতে পারত। কারণ, অনির্বাণদার তো স্বস্তিকার প্রতি একটা ক্রাশ ছিল!” এই সব কথার মধ্যে হাসির ছলে অর্জুন দত্ত আবারও জানান, শুটিংয়ের পরিবেশ ছিল একেবারে স্বাভাবিক এবং পেশাদার।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page