সারেগামাপা থেকে খ্যাতি পাওয়া ছোট্ট গায়কী অঙ্কনা দে, যার কণ্ঠস্বরের সঙ্গে তার ‘শিস’ দেওয়ার প্রতিভা তাকে আলাদা পরিচয় দিয়েছে। তাই তাকে অনেকেই ‘শিসপ্রিয়া’ নামে চেনে। বয়সে ছোট হলেও গান এবং পড়াশোনায় ব্যস্ত এই শিশু শিল্পী। সম্প্রতি নিজের জন্মদিনে সে সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে সে বইখাতা নিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করছে। ছবি প্রকাশের সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘এমন জন্মদিন কারো না হোক। জন্মদিনের সবচেয়ে বাজে উপহার হলো পরীক্ষা।’
অঙ্কনার জন্মদিনের ঠিক পরের দিনই শুরু হয়েছে তার পরীক্ষা, যা তাকে মন খারাপের মধ্যে ফেলেছে। ছোট্ট অঙ্কনা লিখেছেন, কার কী দুশমনি আছে বুঝতে পারছি না, কেন এমন হলো। সে নিজের জন্মদিনে আনন্দের বদলে বইখাতার সঙ্গে বসে থাকতে হচ্ছে। ছবিতে তার মনোযোগ এবং একাগ্রতা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। ফলোয়াররা তার পোস্টে অনেকেই সান্ত্বনা দিয়েছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন, যেন পরীক্ষা শেষে আবার গান দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে।
নেটিজেনরা অঙ্কনাকে উৎসাহ দিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘মন খারাপ কোরো না। আজকের দিনে শুধু আনন্দে থাকতে হবে। পরীক্ষা ভালোভাবে দাও, তারপর আবার গান শোনাবা।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘গান করা ভালো, কিন্তু পড়াশোনাও জরুরি। ভালো করে পড়াশোনা করো, পরীক্ষা দাও এবং এরপর আবার মজা করবে।’ অঙ্কনার জন্মদিনকে ঘিরে অনুরাগীরা তাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। এই সমর্থন তাকে মনোবল যোগাচ্ছে এবং পরীক্ষার চাপ সামলাতে সাহায্য করছে।
ছোট্ট অঙ্কনা তার জন্মদিনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন, ‘আজ সেই দিন, যেদিন আমি এই পৃথিবীতে প্রথম পা রেখেছিলাম। জন্মের মুহূর্তে কেঁদেছিলাম, আর আজ সেই দিনের স্মৃতি মনে পড়ছে। অনেক বছর আগে এই পৃথিবীতে আমার আবির্ভাব হয়েছিল। এখন হ্যাপি বার্থডে টু মি, দ্য কুইন। জন্মদিনের উপহার কোথায়? কেউ কি আমাকে গিফ্ট দেবে?’ এই কথাগুলো তার খুদে মন এবং আনন্দের খোঁজকে প্রকাশ করছে।
আরও পড়ুনঃ ভালোবাসার স্বীকারোক্তির মাঝেই নতুন বিপত্তি! ‘পরিণীতা’-য় নতুন চমক, পারুল-রায়ানের সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির আগমন! কী ঝড় উঠবে এবার?
দেবের শহর ঘাটালের মেয়ে অঙ্কনা দে এখন মাত্র ১০ বছরের। ক্লাস ফাইভের ছাত্রী এই শিশু শিল্পী সারেগামাপা খ্যাতির পর নানা স্টেজ শোতে অংশ নিচ্ছেন। ছোট বয়সে এত খ্যাতি এবং সমর্থন পাওয়ার পরও পড়াশোনা ও পরীক্ষার গুরুত্ব তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে বয়স ছোট হলেও দায়িত্ব বড়। নেটিজেনরা তাকে ভালোবাসা এবং পরামর্শ দিয়ে উৎসাহিত করছেন, যাতে সে গান এবং পড়াশোনায় সমানভাবে সফল হতে পারে।
