প্রায় এক দশক ধরে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলেছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাঝে অন্য সঞ্চালিকাকে দেখা গেলেও রচনার মতো জনপ্রিয়তা কেউই তৈরি করতে পারেননি। রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার এই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের নতুন সঞ্চালিকা হয়েছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।
স্বস্তিকা সঞ্চালকের আসনে বসতেই অনেকেই তাঁর সঙ্গে রচনার তুলনা করতে শুরু করেন। কেউ কেউ এমনও মন্তব্য করেন যে, রচনা না থাকায় অনুষ্ঠানের টিআরপি আর আগের জায়গায় ফিরবে না। তবে সমালোচনার পাশাপাশি স্বস্তিকার পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেক দর্শক। নতুন দায়িত্বে তাঁকে উৎসাহ দিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যেই অনুষ্ঠানের একটি প্রোমোতে স্বস্তিকার একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন কৌতূহল।
প্রোমোতে এক প্রতিযোগী নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা স্বস্তিকার সঙ্গে ভাগ করে নেন। তিনি জানান, তোতলামির কারণে ছোটবেলায় অনেকের কাছ থেকেই কটূক্তি শুনতে হয়েছে তাঁকে। তবে সেই কথায় থেমে না গিয়ে নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি। প্রতিযোগীর কথা শুনে নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজে পান স্বস্তিকাও। তখনই তিনি জানান, তাঁকেও অনেকে বলেছিলেন যে তিনি ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ সঞ্চালনা করতে পারবেন না।
এরপরই স্বস্তিকা বলেন, সমালোচকদের কথায় কান না দিয়ে তিনি নিজের কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর কথায়, অনেকে আগে বলেছিলেন তাঁর দ্বারা এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা সম্ভব নয়। কিন্তু সেই নিন্দুকদের কথাকে ভুল প্রমাণ করে তিনি এখন অনুষ্ঠানটি সামলাচ্ছেন। একইসঙ্গে প্রতিযোগীকেও নিজের জায়গা থেকে ভালো কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দেন অভিনেত্রী। তাঁর এই বক্তব্যই প্রোমোতে বিশেষ নজর কেড়েছে।
আরও পড়ুনঃ দেবকে দেখে লজ্জায় লাল ‘নিশা’! পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতেই ফ্যানগার্ল মোমেন্ট শ্রুতি ও আরাত্রিকার! এবার কী দেবের ছবিতে দেখা যাবে এই দুই নায়িকাকেও?
তাই স্বস্তিকার ‘আমি দিদি নম্বর ওয়ানের সঞ্চালনা করতে পারব না’ মন্তব্যটি আসলে অনুষ্ঠানের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার কোনও ইঙ্গিত নয়। বরং অতীতে তাঁকে নিয়ে হওয়া সমালোচনার প্রসঙ্গেই কথাটি বলেছেন তিনি। নতুন সঞ্চালিকা হিসেবে স্বস্তিকা কীভাবে নিজের জায়গা তৈরি করেন, তা নিয়ে এখনও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। আপাতত তাঁর আত্মবিশ্বাসী বক্তব্যই স্পষ্ট করে দিচ্ছে, সমালোচনা নয়, নিজের কাজ দিয়েই উত্তর দিতে চান তিনি।
