জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“সামনে দাঁড়াতে খুব লজ্জা লাগে…”— কেন হঠাৎ অতীতের ঘটনার জন্য সকলের সামনে ক্ষমা চাইলেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা? কী এমন করেছিলেন তিনি?

বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ অন্বেষা হাজরা। অভিনয় জগতে তিনি বরাবরই দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। বর্তমানে ‘আনন্দী’ ধারাবাহিকে নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন তিনি। এর আগে একাধিক ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্রে দর্শকের মন কেড়েছেন। তার অভিনয়গুণের পাশাপাশি সরল স্বভাব এবং ভদ্র ব্যবহারের জন্যও তিনি ভক্তদের কাছে আলাদা জায়গা দখল করেছেন। কিন্তু সম্প্রতি এক বিশেষ উপলক্ষে একেবারেই অন্যরকমভাবে খবরের শিরোনামে চলে এলেন অন্বেষা।

আসলে ছোটবেলার একটি ঘটনার জন্য আজও আফসোস বয়ে বেড়ান অভিনেত্রী। অন্বেষা নিজেই সেই ঘটনা ভাগ করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। শ্রী গণেশের আরতি করার সময়কার একটি ছবি পোস্ট করে তিনি নিজের অতীতের কথা তুলে ধরেন। এই ঘটনাই পরবর্তীতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে তাকে।

অন্বেষা লেখেন, “আমার প্রথম গণেশ আরতি আমি তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। গণেশ ঠাকুরের ওপর রেগে গিয়ে ওনার ছবিটা কুচি কুচি করে ছিঁড়ে ফেলেছিলাম। তখন কিছু বুঝিনি। পরে বুঝেছিলাম যা হয়েছে ভালোর জন্যই হয়েছে। কিন্তু সেই ঘটনার পর থেকে গণেশ ঠাকুরের সামনে দাঁড়াতে সবসময় খুব লজ্জা লাগত।” অন্বেষার কথায় ধরা পড়ে ছোটবেলার নির্দোষ দুষ্টুমি, আবার সেই সঙ্গে নিজের ভুলের জন্য একরাশ অনুশোচনাও।

তিনি আরও জানান, সেই ঘটনার সময় তার বয়স ছিল মাত্র ৯। এখন ২৯ বছর বয়সে এসে তিনি জীবনের প্রথম গণেশ আরতি করলেন। এতদিন ধরে যে অপরাধবোধ তাকে গ্রাস করে রেখেছিল, অবশেষে তার থেকে মুক্তি পেলেন। আর এই সুযোগ করে দিলেন আরেক পরিচিত মুখ, অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা শর্মা।

অন্বেষা লিখেছেন, “থ্যাংক ইউ নীলাঞ্জনা শর্মা ম্যাম। আপনি না থাকলে, আপনি না ডাকলে এই সুযোগ আমি পেতাম না।” আসলে নীলাঞ্জনা শর্মার বাড়িতেই শ্রী গণেশের পুজো উপলক্ষে এই আরতির আয়োজন হয়েছিল। সেখানেই দীর্ঘদিনের এক অদৃশ্য বোঝা থেকে মুক্তি পেলেন অন্বেষা। অতীতের সেই ছোট্ট ভুলের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে, ভক্তদের সঙ্গেও ভাগ করে নিলেন নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি।

Piya Chanda