জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘সব কর্মীর জন্য এভাবেই এগিয়ে আসবেন তো তৃণমূল সুপ্রিমো?’ অভিষেককে পচা ডিম জুতো-পেটা করতেই ছুটে এলেন পিসি, অন্য নেতা-কর্মীকে মারলে আসবেন তো? প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন জিতু কমলের!

গতকাল সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল থেকে সমাজ মাধ্যম। কেউ ঘটনাটিকে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ বলে ব্যাখ্যা করছেন, আবার কেউ এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখছেন। তবে রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি অনেক তারকাদের মতোই এবার এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন অভিনেতা ‘জিতু কমল’ (Jeetu Kamal)। তাঁর একটি সমাজ মাধ্যম পোস্ট ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে নেটপাড়ায়।

প্রসঙ্গত, ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে নানান মত উঠে এসেছে। বিশেষ করে ভাইরাল হওয়া ভিডিও এবং ছবি নিয়ে ব্যাপক চর্চা চলছে। এই আবহেই জিতু নিজের ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করেন। সরাসরি রাজনৈতিক বিশ্লেষণে না গিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন নেতৃত্বের ভূমিকা এবং সাধারণ কর্মীদের প্রতি আচরণ নিয়ে। তাঁর বক্তব্যে মূলত উঠে আসে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দায়িত্ব ও সমান সহমর্মিতার প্রসঙ্গ।

নিজের পোস্টে অভিনেতা লেখেন, “একটাই প্রশ্ন মাথার মধ্যে বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনরোষে পচা-ডিমের আঘাতে আক্রান্ত হলেন (যদিও ওটা কর্মফল), তৃণমূল সুপ্রিমো যেভাবে এগিয়ে এসে অভিষেক বাবুকে রক্ষা করলেন, সব তৃণমূল কর্মীর জন্য তিনি এভাবেই এগিয়ে আসবেন তো??” পোস্টটি সামনে আসতেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সমাজ মাধ্যমে। কেউ তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ এটিকে রাজনৈতিক কটাক্ষ বলেও ব্যাখ্যা করেছেন।

অনেকের মতে, জিতুর পোস্টের মূল কেন্দ্রবিন্দু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নন, বরং রাজনৈতিক সংগঠনের ভেতরে সকলের জন্য সমান গুরুত্ব ও সহায়তা পাওয়ার প্রশ্ন। অভিনেতার বক্তব্যে সেই তুলনাটাই বেশি স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে সাধারণ কর্মীদের দুর্দশা বা বিপদের সময় নেতৃত্ব কতটা পাশে দাঁড়ায়, সেই প্রসঙ্গকেই তিনি সামনে আনতে চেয়েছেন বলে মনে করছেন একাংশ।

রাজনৈতিক ঘটনা নিয়ে শিল্পীদের মন্তব্য নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলার শিল্পীমহলের একাধিক পরিচিত মুখ বিভিন্ন ইস্যুতে প্রকাশ্যে মতামত জানাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় জিতু কমলের এই পোস্টও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার, তাঁর তোলা প্রশ্নের জবাব রাজনৈতিক মহল থেকে আসে কি না, নাকি এই বিতর্কও সমাজ মাধ্যমের আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page