জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘আমার কাছে বউ আগে…’ রাজের জীবনের প্রথম ভালোবাসা শুভশ্রী! পরিচালনা ও রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করে, কীভাবে সংসার সামলান তিনি?

রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের সম্পর্ক বরাবরই চর্চার বিষয়। ২০১৮ সালে তাঁরা ভালোবেসে একে অপরকে বিয়ে করেন, এবং এরপর তাঁদের জীবন নতুন এক ধাপে প্রবেশ করে। ২০২০ সালে তাঁদের প্রথম সন্তান, ছেলে ইউভানের জন্ম হয় এবং তিন বছর পর ২০২৩ সালে মেয়ে ইয়ালিনি আসে। কাজের পাশাপাশি পরিবার এবং সন্তানদের দেখভাল করেই তাঁদের সম্পর্ক আরো মধুর হয়ে উঠেছে। এই সংসারের মাঝে তাঁরা কখনোই একে অপরকে সময় দিতে ভুলে যান না, যা তাঁদের সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করে।

সম্প্রতি রাজ চক্রবর্তী একটি প্রিমিয়ারে নিজের নতুন ধারাবাহিক “প্রতিজ্ঞা”-র উদ্বোধনকালে বলেন, তাঁর জীবনে প্রেমের মূল বিষয় হলো একে অপরের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটানো। রাজের মতে, ‘প্রেম মানে একে অপরকে সময় দেওয়া। আমরা একসঙ্গে ঘুরতে যাই, লং ড্রাইভে যাই, গান শুনি এবং রেস্তোরাঁয় খেতে ভালোবাসি।’ এটি তাঁদের সম্পর্কের মূল শক্তি। তিনি আরও জানান, কাজের মাঝে ক্লান্তি কাটানোর জন্য স্ত্রী শুভশ্রীর সঙ্গে কথা বলার গুরুত্ব অনেক। ‘আমার কাছে বউ আগে,’—এ কথা বারবার বলেছেন রাজ, যা তাঁর জীবনশক্তির উৎস।

রাজ আরও বলেন, ‘যদি একজন পুরুষ তার স্ত্রীর সঙ্গে সত্যিকারের ভালোবাসা অনুভব করতে পারেন, তাহলে জীবনে কোনো বাধাই তাঁকে থামাতে পারবে না।’ তাঁর মতে, প্রেম এবং সম্পর্কের মধ্যে গভীরতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা থাকা উচিত। পরিবারের দায়িত্ব, সন্তানদের যত্ন এবং নিজেদের কাজের মাঝে একে অপরের সঙ্গে মানসিকভাবে সম্পর্ক বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মাঝে এমন সর্ম্পক গড়ে ওঠেছে, যেখানে একে অপরকে ছাড়া কিছুই অসম্পূর্ণ মনে হয়।

রাজের জীবনে আগে একাধিক সম্পর্ক ছিল। ২০১১ সালে তাঁর প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় এবং এরপর মিমি চক্রবর্তী ও পায়েল সরকারসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছিল। তবে এসব সম্পর্ক কখনোই স্থায়ী হয়নি। ২০১৮ সালে শুভশ্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু হয়, যখন তাঁরা গোপনে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন। রাজের বাড়িতে ছোট একটি অনুষ্ঠান হয়, যেখানে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১১ মে রাজবাড়িতে বড় আয়োজনের মাধ্যমে বিয়েটি সম্পন্ন হয়।

প্রেমের শুরু থেকে বিয়ের পরও রাজ ও শুভশ্রীর মধ্যে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা একটুও কমেনি। যদিও তাঁদের সম্পর্ক নানা সময়ে চর্চিত হয়েছিল, কিন্তু বিয়ের পর রাজ নিজের স্ত্রীকে যথার্থভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। সংসারের প্রতিটি মুহূর্তে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও যত্ন তাঁদের সম্পর্ককে মজবুত করেছে, এবং তাঁদের জীবনের শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁদের প্রেমের গল্প যেন প্রমাণ করে যে, ভালোবাসায় কোনো বাধা আসে না, যদি দুজন একে অপরকে সত্যিকারেরভাবে ভালোবাসেন।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page