বৃহস্পতিবার রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই পড়ে যায় অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবারকে ঘিরে। পুরো বিষয়টি সামনে আসে অভিনেত্রী ও ব্যবসায়ী সুস্মিতা রায়ের লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে। সেখানে তিনি সায়কের দাদা সব্যসাচী চক্রবর্তী এবং তাঁদের পরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন, যা দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।
এই ঘটনার জেরে বিতর্ক আরও বাড়ে যখন সুস্মিতা একটি কল রেকর্ডিং প্রকাশ করেন। সেই অডিওতে সায়ক এবং সুস্মিতার কথোপকথন শোনা যায়। সুস্মিতার দাবি, সায়ক ও তাঁর পরিবার নাকি তাঁকে বারবার হুমকি দিচ্ছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র আলোচনা ও মতবিরোধ।
এরপর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন সায়ক। তিনি দাবি করেন, ওই কল রেকর্ডিং আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল এবং তাঁকে ফাঁসানোর জন্যই এই রেকর্ডিং করা হয়েছে। তাঁর কথায়, ফোনে সুস্মিতা যা বলছিলেন, তা শুনে তিনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন এবং পরিস্থিতির সঠিকভাবে জবাব দেওয়ার সুযোগ পাননি।
সায়ক আরও জানান, তিনি বহুবার সুস্মিতাকে তাঁর দাদার সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক না থাকলে সেই বিয়ে থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই কথাকেই নাকি অন্যভাবে তুলে ধরে বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, তাঁকে বারবার ডেকে পাঠানো হচ্ছিল, আর তিনি না যাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তাঁর ধারণা।
আরও পড়ুনঃ “আড়াই বছর একসঙ্গে কাজ করেছি, সমস্যা থাকলে…” “সৌমিতৃষা ভীষণ ভালো অভিনেত্রী, কিন্তু আমরা বন্ধু নই!” কাজ করতেই আসা, বন্ধু বানাতে নয়! ‘মিঠাই’তে সৌমিতৃষাকে নিয়ে সম্পর্কের গুঞ্জনে ইতি টানলেন আদৃত! সত্যিই কি ঝামেলা হয়েছিলো? বিতর্কে প্রথমবার মুখ খুলে কী জানালেন অভিনেতা?
শেষে সায়ক স্পষ্ট করে দেন, তিনি এই অভিযোগগুলোকে গুরুত্ব দিতে চান না এবং এই নিয়ে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু বলতে আগ্রহী নন। তাঁর মতে, অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ করা ঠিক নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও নেটদুনিয়ায় জোর চর্চা চলছে।
