দুইজনের বয়সের ব্যবধান এবং রণজয়ের অতীত সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল। কিন্তু সব বিতর্ককে অগ্রাহ্য করে, গত মাসে রণজয় বিষ্ণু এবং শ্য়ামৌপ্তি মুদলি বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। জলসার খবরের গুজব এবার বাস্তবে পরিণত হয়েছে। বিয়ে হওয়ার পর রবিবার প্রথমবারের মতো রণজয়ের জন্মদিন উদযাপন করেন তারা। নায়িকা নিজের হাতে পঞ্চব্যাঞ্জন রান্না করেন, যেখানে পায়েস, মাছ, চিকেনসহ নানা পদ ছিল।
শ্যামৌপ্তি শুধু রান্না করেই থেমে থাকেননি, বরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসাও জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘যদিও প্রতিদিনই তোমার দিন, তবে জন্মদিন একটু বিশেষ হওয়া উচিত। এক রাশ ভালোবাসা নিয়ে সুন্দর কাটুক আগামী জীবন। যত্নে থাকুক তোমার ভিতরের ছেলেবেলা।’ এই ঘরোয়া উদযাপনে রণজয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের মধুর মুহূর্ত ফুটে উঠেছে। রণজয় ও শ্য়ামৌপ্তি এখন স্বামী-স্ত্রী হয়ে সুখে সংসার করছেন।
প্রথমে শ্য়ামৌপ্তির মা রণজয়কে খুব পছন্দ করতেন না। নায়িকা এক পডকাস্টে উল্লেখ করেন, ‘বিয়ে করা এক বড় দায়িত্ব। কিন্তু আমি ভাগ্যবান যে এমন একজন মানুষ এবং এমন পরিবার পেয়েছি। শুরুতে মা ওকে খুব পছন্দ করতেন না।’ এরপর রণজয় যোগ করেন, ‘শ্যুটিং-এর সময় মাকে সঙ্গে আনা সম্ভব হয়নি, তাই তখন পরিস্থিতি এমনই ছিল।’ বর্তমানে সব পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে।
শ্যামৌপ্তি বলেন, ‘ছোট হওয়ায় মাঝে মাঝে কিছু পরিস্থিতিতে মা ওকে কিছু বলে দেন। মা বলেন, বকো বা কিছু মারো, যাতে শিখতে পারে।’ এই কথায় রণজয় অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, ‘কী বলছো কাকিমা! ওকে মারব কী করে?’ তবে রণজয় স্পষ্ট করেন যে শাশুড়ির রান্না ও যত্নের প্রতি তার ভালোবাসা অনেক। বউ নিজের হাতে রান্না করলে, রণজয় শাশুড়িকে এগিয়ে রাখেন।
আরও পড়ুনঃ “রোজ রোজ পোস্ট…সময়টা পরিবারকেই দেবো” সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরক্তি! মানসীর পর এবার বিদায় নিলেন ‘চিরদিনই’র কিঙ্কর, অভ্রজিত চক্রবর্তী!
রণজয় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে বলেন, ‘শ্যামৌপ্তির স্বভাব আলাদা, তাই সম্পর্কের পরিণতি হয়েছে। কঠিন সময়ে যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে, তা অনন্য। অতীত বা বর্তমানের মানুষকে ওর সঙ্গে তুলনা করব না। অনেকের অতীত সম্পর্ক থাকে, কিন্তু শুধুমাত্র অভিনেতাদের ক্ষেত্রে সবাই তা নিয়ে মন্তব্য করে। আমি লোকে কী বলছে তা নিয়ে চিন্তিত নই। জীবনকে আমি সব সময় শক্তপোক্ত চেয়ার কেনার মতো দেখেই এগিয়ে নিয়ে যাই।’
