জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

মন্দিরে আর্য-অপর্ণা পেল স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়, দেখা মাত্রই মীরা আর কিঙ্করের উদ্বেগ চরমে! সিংহ রায় বাড়িতে বাড়ছে বন্ধ ঘর নিয়ে কৌতূহল! রাধা মাধবের আশীর্বাদে বাঁধা পড়ল অপু-আর্য, কিন্তু বাড়ি ফিরতেই শুরু তীব্র অশান্তি!

জি বাংলার ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ (Chirodini Tumi Je Amar) ধারাবাহিকে আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, অপর্ণা সারারাত জ্বরের কারণে ঠিক করে ঘুমাতে পারছে না। আর্য তার জেগে তার সেবা করে চলেছে। এদিকে কিঙ্কর ঠিক খবর পেয়ে গেছে আর্য-অপর্ণা কোথায় থাকতে পারে, ঠিক করে সকালে তাদের খুঁজতে যাবে। মীরা জানায় সেও আর্যকে ফিরিয়ে আনতে যেতে চায়। অন্যদিকে সকাল হতেই অপর্ণার বাড়ি প্রতিবেশীরা এসে জানতে চায়, অপর্ণা কোথায় এবং তার মা-বাবা মাঝরাতে হন্তদন্ত হয়ে কোথায় গেছিলেন।

অপর্ণার বাবা স্পষ্ট করে জানায়, কাজের সূত্রে অপর্ণা বাইরে গেছে তাই মেয়ের কোনও খোঁজ না পেয়ে তারা চিন্তিত হয়ে এক সহকর্মীর বাড়ি গেছিলেন রাতে। প্রতিবেশীরা তাতে কটাক্ষ করতে শুরু করে। একপ্রকার অপর্ণার চরিত্র টেনে তারা বলে, আর পাঁচটা লোকেও কাজ করে কিন্তু বাড়ির বাইরে রাত কাটায় না। অপর্ণার বাবা খুব রেগে যান এই কথা শুনে। এদিকে গত রাতের ঘটনার পর মানসী খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

সিংহ রায় বাড়িতে চাকররাও এবার বন্ধ ঘরের রহস্য নিয়ে নানান রকম আলোচনা শুরু করেছে। রাজলক্ষ্মী এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে জানিয়ে দেন, আলোচনা বাড়তে থাকলে সবার কাজ ছাড়িয়ে দেওয়া হবে। সকাল হতেই কিঙ্কররা মন্দিরে গিয়ে জানতে পারে, আগের রাতে একজন স্বামী-স্ত্রী বিপদে পড়ে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল। পরে দেখা যায় সেটা আর্য-অপর্ণা। মীরা দেখে দু’জনে একসাথে ঘুমাচ্ছে। এক মুহূর্তের জন্য সবাইকে সত্যিটা বলে দিতে গেলে কিঙ্কর বাধা দেয়।

মন্দিরের সকলেই জানায় সারারাত জেগে আর্য যেভাবে স্ত্রীর সেবা করেছে, অনেকেই করে না। এমনকি প্রধান পুরোহিত জানান গতরাতে মন্দিরের বিশেষ পুজোতে অংশগ্রহণ করেছে তারা। এরপর দুজনে ঘুম থেকে উঠলে পুরোহিত একবার মন্দিরে গিয়ে ঠাকুরের আশীর্বাদ দিয়ে তারপর যেতে বলেন। সেখানে দাঁড়িয়েই পুরোহিত তাদের জানান এমনি এমনি তারা সেখানে পৌঁছায়নি বরং ঠাকুর বিশেষ উদ্দেশ্যেই তাদের এখানে এনেছেন।

এই কথা মনে মনে আর্যও ভাবে যে, অপর্ণাকে দূরে সরাতে চেয়েও পারেনি ভবিতব্যের জন্য। এদিকে অপর্ণা ভাবছে, আগের দিন আরতির সময় আর্যর পাশে অন্য মহিলাকে সে স্বপ্নে দেখেছে। অপর্ণা ভাবছে আর্যর সঙ্গে তার অতীতের কোনও সম্পর্ক আছে। বাড়ি ফিরে আর্যকে মীরা জানতে চায়, অপর্ণা কেন আর্যকে স্বামীর পরিচয় দিয়ে রাত কাটিয়েছে। মীরা স্পষ্ট করে, অপর্ণার জায়গা আর্যর স্ত্রী হিসেবে নয়। রেগে গিয়ে আর্য মীরাকেও নিজের জায়গা মনে করিয়ে দেয় আর বলে দেয় যে তাকে কোনও উত্তর দিতে বাধ্য নয় সে!

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page