জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“আমার টেবিল জুড়ে…” শুটিং শেষে বাড়ি ফিরেই চোখ কপালে গীতশ্রীর! কী দেখে রীতিমতো চমকে উঠলেন অভিনেত্রী?

শহরের ব্যস্ততা, শুটিংয়ের ক্লান্তি আর দিনের শেষে ঘরে ফেরা মিলিয়ে দিনটা ছিল একেবারে সাধারণই আর পাঁচটা দিনের মতোই। কিন্তু সেই চেনা রুটিনটাই হঠাৎ বদলে গেল টেবিলের উপর সাজানো একটা জিনিস দেখে! এমন চমক অভিনেত্রী গীতশ্রী রায়ের (Geetashree Roy) জীবনে নতুন নয়, তবু প্রতিবারই যেন মনটা আলাদা করে ভালো হয়ে যায়। কারণ এই মুহূর্তগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একরাশ যত্ন, দূরত্ব পেরিয়েও ভালোবাসা ছুঁয়ে দেওয়ার চেষ্টা।

ভালোবাসার সপ্তাহ শুরু হলেও দু’জনের কেউই আলাদা করে দিন গুনে উদযাপনে বিশ্বাসী নন। গীতশ্রী নিজেই বলেন, নির্দিষ্ট কোনও তারিখে প্রেমকে আটকে রাখার নিয়ম তাঁদের জীবনে নেই। দু’জনেই যথেষ্ট পরিণত, তাই সম্পর্কটা চলে নিজের গতিতে। তবে বিশেষ সময়টাকে একটু আলাদা করে তোলার এই ছোট আয়োজনটা শুধুই আনন্দ দেওয়ার জন্য। প্রেমিক প্রবীর মুখার্জি এখন শহরের বাইরে, ম্যাচের চাপ, সিজনের ব্যস্ততার মাঝেও গীতশ্রীকে হাসাতে ভুল করেননি তিনি।

প্রসঙ্গত, এই সারপ্রাইজের পেছনের গল্পটাও কম মজার নয়। টেবিল ভর্তি গোলাপের তোড়া দেখে প্রতিক্রিয়ার পুরো মুহূর্তটা ক্যামেরাবন্দি করেছেন গীতশ্রীর ভাই, যেন সবকিছু নিখুঁতভাবে ধরা থাকে। গীতশ্রী বুঝতেও পেরেছিলেন, এই দায়িত্ব নিশ্চয়ই কাউকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সামনে ১৪ ফেব্রুয়ারি, সেদিন গোয়ায় ম্যাচ রয়েছে প্রবীরের। মন চায় সেখানে গিয়ে একটু সময় কাটাতে, ম্যাচটাও কাছ থেকে দেখতে। যদিও শুটিংয়ের শিডিউল মিলবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।

উল্লেখ্য, অভিনেত্রীর কথায় সময় বদলেছে, তেমনই বদলেছে ভালোবাসার উদযাপনও। গীতশ্রীর কাছে এখন আর ভ্যালেন্টাইনস ডে মানে শুধু উপহার বা আলাদা আয়োজন নয়। তাঁর ভাবনায় ভালোবাসা মানে পাশে থাকাটা সব ঠিকঠাক থাকলে তো বটেই, কিন্তু যখন পরিস্থিতি কঠিন, তখনই আসল পরীক্ষা! একসঙ্গে লড়াই করে সেই সময়টা পার করতে পারলেই ভালো দিন আপনাআপনি এসে যায়।

হয়তো সেই কারণেই তাঁদের সম্পর্কে আলাদা করে কোনও হইচই নেই, নেই অতিরিক্ত প্রদর্শন। ছোট ছোট মুহূর্ত, নীরব যত্ন আর দূরত্বের মাঝেও অনুভব করা উপস্থিতিই তাঁদের কাছে সবচেয়ে বড় উৎসব। শহরের এক প্রান্তে শুটিং, আরেক প্রান্তে ম্যাচের মধ্যেই এমন এক টুকরো ভালোবাসা, যা নিঃশব্দে দিনটাকে একটু সুন্দর করে তোলে। তবে বিয়ের পিঁড়িতে কবে বসছেন? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই থেকে গেল।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page