জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

সাড়ে চার বছরেই বাংলার মন জয়, উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার প্রিশা চক্রবর্তীর! শুধু দর্শকরাই নয়, ‘দাদাগিরি’-র মঞ্চে একরত্তির আচরণে মুগ্ধ স্বয়ং মেগাস্টার! দেবের প্রিয় ‘চিনি’ বড় হয়ে পুলিশ হতে চায়, সবাইকে কী শাস্তি দেবে জানেন?

উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার ছোট্ট প্রিশা চক্রবর্তী, যাকে সবাই ‘চিনি’ নামে চেনে, খুব অল্প বয়সেই সারা বাংলার মানুষের নজর কেড়েছে। মাত্র সাড়ে চার বছর বয়সে জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘দাদাগিরি’-তে প্রথম স্থান অর্জন করে সে নতুন নজির গড়েছে। এখনও সব কথা স্পষ্ট করে বলতে না পারলেও তার মিষ্টি হাসি, সরল ব্যবহার এবং বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর দর্শকদের মন জয় করেছে।

‘দাদাগিরি’-র মঞ্চে শুধু দর্শকরাই নয়, অভিনেতা ও সঞ্চালক দেবও চিনির আচরণে মুগ্ধ হন। দেব নিজেও তাকে আদর করে ‘চিনি’ বলে ডাকেন। অনুষ্ঠানের সময় প্রিশা জানায়, সে দেবের সঙ্গে গান গাইতে এবং নাচ করতে চায়। এমনকি নিজের মতো করে দেবকে নাচ শেখানোর চেষ্টাও করে, যা উপস্থিত সকলের মুখে হাসি ফোটায়।

প্রিশার এই সাফল্যে ভীষণ খুশি তার পরিবার। পরিবারের সদস্যদের কথায়, এত অল্প বয়সে মেয়ে যে এত মানুষের ভালোবাসা পাবে, তা তারা কল্পনাও করেননি। এখন বাড়ির বাইরে বেরোলেই অনেকেই তার সঙ্গে ছবি তুলতে বা সেলফি নিতে চান। প্রতিবেশীরাও সুযোগ পেলেই ছোট্ট চিনির সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

প্রিশার মা প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী জানান, তাঁদের একটাই ইচ্ছে, মেয়ে যেন আরও এগিয়ে যায় এবং মানুষের ভালোবাসা পেতে থাকে। ছোট্ট মেয়ের এই সাফল্য পরিবারের পাশাপাশি হাবড়ার মানুষকেও গর্বিত করেছে। এলাকায় এখন প্রিশাকে নিয়ে উৎসাহ ও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এত ছোট বয়সেই ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের স্বপ্নও জানিয়ে দিয়েছে প্রিশা। বড় হয়ে সে পুলিশ অফিসার হতে চায়। তার মজার যুক্তি, যারা জাঙ্ক ফুড বেশি খায়, মা-বাবার কথা শোনে না বা সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে থাকে, তাদের ধরে জেলে পাঠাবে। তার এই নিষ্পাপ কথায় সবাই মুগ্ধ। নিজের সহজ-সরল স্বভাব আর প্রতিভার জোরে প্রিশা আজ হাবড়া ছাড়িয়ে গোটা বাংলার পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page