জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘আমার স্বামীর গায়ে আপনি হাত তুলতে পারেন না!’— দাদুকে পারুলের হুঁশিয়ারি! রায়ান-পারুলের অপমানে ফেটে পড়লেন দাদু! পারুলকে বউ করে আনার আক্ষেপে পুড়ছেন তিনি! পারুলের জীবনে আবার তূর্যের আগমন!

জি বাংলার ‘পরিণীতা’র (Parineeta) আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় পারুল-রায়ানের চপের দোকান উপচে পড়ছে ভিড়। একদিকে পারুল চপ বানাচ্ছে অন্যদিকে রায়ান অপেক্ষারত গ্রাহকদের জন্য স্ট্যান্ড আপ কমেডি করছে। তাদের উৎসাহ দিতে মল্লার এবং তার দাদা সেখানে দাদুর বিনা অনুমতিতে হাজির হয়। রমরমিয়ে চলছে প্রথম দিনের ব্যবসা, এমন সময় আশুতোষের বন্ধু ষষ্ঠী দাদু সেখানে উপস্থিত হন। সবটা দেখে দাদুকে ফোন করেন তিনি।

দাদু ফোন ধরতেই ব্যঙ্গ করার সুরে বলেন, এত দামী কলেজে নাতির-নাতনিদের পড়াশুনা করিয়েছে আশুতোষ। শেষে কিনা চপের দোকান দিয়ে লোক হাসাচ্ছে তারা! ভিডিও কল করে দাদুকে সব টা দেখান তিনি, রীতিমতো রেগে গিয়ে সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দাদু। ঠাকুমা অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পারুল গোপাল-রুক্মিণীকে ফোন করে নিজেদের নতুন দোকান আর রায়ানের স্ট্যান্ড আপ কমেডি দেখায়।

Parineeta, Zee Bangla, Bangla Serial, Uday Pratap Singh, Ishani Chatterjee, Surabhi Mallick, Parul, Rayan, Shireen, New Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, উদয় প্রতাপ সিংহ, ঈশানী চ্যাটার্জী, সুরভি মল্লিক, শিরীন, নতুন পর্ব

গোপাল তাদেরই উদ্যোগে খুশি হলেও, যে কারণে তারা ব্যবসায় নেমেছে তাতে মোটেই খুশি নন। এদিকে রুক্মিণীর ছবি দেখে তার বন্ধুর বিদেশি কোম্পানিতে কাজের ডাক পায় সে। রুক্মিণী চিন্তায় পড়ে যায়, ইন্টারভিউ দিয়ে কাজটা পেলে তাকে বিদেশ চলে যেতে হবে। গোপাল চিন্তা না করে রুক্মিণীকে ইন্টারভিউ দিতে বলে। এরপর দাদু চপের দোকানে উপস্থিত হতেই, দোকানের গ্রাহকরা একে একে ভিড় কমাতে শুরু করে।

পারুল রেগে গিয়ে দাদুকে বলে, তাদের দোকানের লক্ষ্মীকে তিনি এমন করে তাড়াতে পারেন না। রায়ানো বলে, যা করছে রাস্তায় করছে বসু বাড়িতে নয়। এই কথা শুনে দাদু রায়ানের গায়ে হাত তুলতে যান। পারুল দাদুর হাতটা ধরে বলে, এখনো তাদের ডিভোর্স হয়নি তাই রায়ান তার স্বামী। দাদু নিজের ছেলে বা বাড়ির অন্যদের গায়ে হাত তুলতেই পারেন, তাতে তাদের স্ত্রীর আপত্তি করে না।

কিন্তু পারুল নিজের স্বামীর গায়ে হাত তুলতে দেবে না। দাদু অত্যন্ত অপমানিত বোধ করেন, রায়ানকে দোষারোপ করা ছেড়ে তিনি পারুলকে কথা দিয়ে আঘাত করা শুরু করেন। দাদু জানান নিজের সিদ্ধান্তে কোনদিনও তিনি আফসোস করেননি, কিন্তু পারুলকে বসু বাড়ির বউ করে আনা তার জীবনে বড় ভুল বলে তিনি মনে করছেন এখন।

যেই পারুলকে গ্রাম থেকে এনে এত বড় কলেজে জায়গা দিয়েছিলেন তিনি, আজ তারই হাত ধরায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন দাদু। তিনি জানিয়ে দেন বসু বাড়ি আর কোনও ব্যাপারে থাকবে না পারুল-রায়ানের। পরের দিন ইউনিভার্সির ক্যান্টিনে চা কিনতে গিয়ে পারুল মুখোমুখি হয় তূর্যের! সে জানায় এবার আগের থেকেও বেশি ক্ষমতা নিয়ে ফিরে এসেছে সে। রায়ান চ্যালেঞ্জ করে আবার তাকে জেলে ঢোকাবে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page