প্রায় এক দশক পর আবার টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন রণিতা। এক সময়ে দর্শকের অতি প্রিয় মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি, যাঁকে সবাই আদরের বাহা বলেই চিনত। তাঁর কথাবার্তা, সাবলীল ভঙ্গি আর স্বাভাবিক অভিনয় দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল। বর্তমানে মন দরদিয়া ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা যাচ্ছে, যেখানে গল্পের আবেগ আর চরিত্রের গভীরতা দর্শককে ছুঁয়ে যাচ্ছে।
টিআরপি তালিকায় ধারাবাহিকটি খুব উপরের দিকে না থাকলেও, রণিতার উপস্থিতি দর্শকের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে। দীর্ঘ বিরতির পর ছোটপর্দায় ফিরে এসে তিনি আবারও নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রাখছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের নানা ছোট মুহূর্ত তিনি নিয়মিত সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে নেন, যা অনুরাগীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ককে আরও কাছের করে তোলে।
মকর সংক্রান্তির দিনে রণিতার একটি পোস্ট বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। জীবনে এগিয়ে যেতে হলে অতীতকে ছেড়ে দেওয়া যে কতটা জরুরি, সেই কথাই তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর মতে পরিচিত গণ্ডি আর মনের ভিতরে জমে থাকা বোঝা থেকে নিজেকে মুক্ত করলেই সামনে এগোনো সহজ হয়। এই উৎসব নতুন করে শুরু করার প্রতীক, যা মানুষকে সাহস জোগায়।
রণিতা লিখেছেন, অতীত থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারলেই নতুন চোখে পৃথিবীকে দেখা যায় এবং নতুন সত্তা নিয়ে কাজ করা সম্ভব হয়। এটি আসলে দৃষ্টিভঙ্গির এক নতুন জন্ম। এই কথাগুলি তাঁর অনুরাগীদের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। অনেকেই তাঁর পোস্টে অনুপ্রেরণার কথা জানিয়েছেন এবং জীবনে পরিবর্তনের শক্তি খুঁজে পাওয়ার অনুভূতি ভাগ করেছেন।
আরও পড়ুনঃ অপর্ণার জীবনে মায়ের ভূমিকা পূর্ণ, দায়িত্ব সেরে ফেলেছেন সুমি! ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছাড়তে পারেন সুচন্দ্রা ব্যানার্জি? ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই নতুন ধারাবাহিকে, মায়ের চরিত্রে যোগ দিচ্ছেন অভিনেত্রী! এবার দেখা যাবে কোন গল্পে?
পিছুটান ছেড়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এই বার্তাই যেন রণিতার জীবনের মূল দর্শন। নতুন বছরের শুরুতে তাঁর এই ইতিবাচক ভাবনা অনেকের মনকে আলোকিত করেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি এমন চিন্তাভাবনার জন্যও তিনি অনুরাগীদের ভালোবাসা পাচ্ছেন। রণিতার এই আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য আবারও প্রমাণ করে, পরিবর্তনের সাহসই জীবনের আসল শক্তি।
