বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা প্রায়ই ট্রোলিং (Trolling) বা সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার মুখোমুখি হন। বিশেষ করে ছোট পর্দার অভিনেতারা দর্শকের প্রত্যাশা ও নেটিজেনদের কঠোর সমালোচনার কারণে মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। তবে কিছু তারকারা এই ট্রোলিংকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কাজ ও সৃজনশীলতাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি এমনই মনোভাব প্রকাশ করলেন টলিউডের পরিচিত ছোট পর্দার অভিনেতা রুবেল দাস।
অনেক সময় অভিনেতারা নিজের অভিনয় বা ব্যক্তিগত জীবনের জন্য ট্রোলিংকে ভয় হিসেবে মেনে নেন, কিন্তু রুবেল দাস এরকম ভয়কে কখনোই সুযোগ করে দেন না। তিনি বলেন, ট্রোলিংকে কেন্দ্র করে নিজের কাজ আটকে রাখার মতো চিন্তা তার মধ্যে নেই। বরং নিজের কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং মানসিক স্বাধীনতা বজায় রাখা তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
রুবেল দাস ছোট পর্দার পরিচিত মুখ। সম্প্রতি তাকে দেখা গেছে জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক “তুই আমার হিরো” তে। এখানে তিনি শাক্য চরিত্রে অভিনয় করছেন। ধারাবাহিকের গল্প বর্তমানে ২৩ বছর এগিয়ে গেছে, ফলে তাকে বয়স্ক রূপে দেখানো হচ্ছে। অভিনেতার কাজের ধারা, চলাফেরা এবং অভিব্যক্তিতে এই পরিবর্তনগুলো স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।
এই প্রসঙ্গে রুবেল দাস জানিয়েছেন, “ট্রোলিং এর জন্য কিছু করব বা ট্রোলিংকে ভয় পেয়ে কিছু করব এমনটা আমি কোনদিনই ছিলাম না। আমি এই বিষয়টিকে কখনোই গুরুত্ব দিইনি। আগাগোড়া আমি নিজের ব্যক্তিগত কাজ ও সৃজনশীলতাকে সময় দিতে বেশি ভালোবাসি। ট্রোলিংয়ের ভয়ে আমি কখনো কাজ আটকে রাখি না।” এই মনোভাবই তাকে দর্শকের সামনে আরও স্থির এবং আত্মবিশ্বাসী একজন অভিনেতা হিসেবে তুলে ধরছে।
আরও পড়ুনঃ “সময়টা ঠিক হলে হতভাগা মানুষ কম হত”, এসআইআর নোটিসে চাপের মুখে সৌমিতৃষা! বানান ভুলের কারণে শুনানিতে হাজিরা দিতে বাধ্য, অভিনেত্রীর অভিযোগ অল্প সময়ে প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন!
অভিনয়কে জীবনের অক্সিজেন হিসেবে মানা রুবেল দাস প্রমাণ করেছেন, ছোট পর্দার অভিনেতারাও ট্রোলিংয়ের চাপের মধ্যে নিজেদের স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারেন। সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনাকে পেছনে ফেলে তিনি এখন ধারাবাহিকের নতুন মোড় এবং চরিত্রের গভীরতা নিয়ে মনোনিবেশ করেছেন, যা দর্শকদের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে কাজ করছে।
