বিনোদন জগতের অভিনেতা, অভিনেত্রী, গায়ক কিংবা গায়িকারা শুধু পর্দা বা মঞ্চেই সীমাবদ্ধ নন। তাঁদের জীবনদর্শন, সংগ্রামের কথা, ছোট ছোট উপলব্ধি বহু সাধারণ মানুষের জীবনে অনুপ্রেরণার আলো জ্বালায়। কখনও একটি গান, কখনও একটি সংলাপ, আবার কখনও তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলা কয়েকটি কথা—এই সবই অনেক মানুষের হতাশা, ক্লান্তি আর অনিশ্চয়তার মধ্যেও নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়।
ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আকাশে যাঁর নাম উচ্চারিত হলেই শ্রদ্ধা জাগে, তিনি কৌশিকী চক্রবর্তী। ওস্তাদ অজয় চক্রবর্তীর কন্যা হলেও নিজের যোগ্যতায় তিনি তৈরি করেছেন আলাদা পরিচয়। খেয়াল, ঠুমরি থেকে শুরু করে আধুনিক সংগীত—সব ক্ষেত্রেই তাঁর সাবলীল যাত্রা তাঁকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গায়িকাদের তালিকায় এনে দিয়েছে।
ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত রেওয়াজ, মঞ্চের অভিজ্ঞতা এবং গুরু-শিষ্য পরম্পরার মধ্য দিয়ে নিজেকে গড়ে তুলেছেন কৌশিকী। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি নতুন প্রজন্মের কাছেও সঙ্গীতকে সহজ করে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু শিল্পী হিসেবেই নয়, একজন ভাবনাশীল মানুষ হিসেবেও তিনি বরাবরই স্পষ্টভাষী।
সম্প্রতি নিজের উপলব্ধি ভাগ করে নিয়ে কৌশিকী চক্রবর্তী বলেছেন, “তুমি একদিনে নিজেকে শান্ত করতে পারবে না। প্রতিদিন নিয়ম-নিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।” তাঁর কথায় স্পষ্ট, মানসিক শান্তি বা সাফল্য কোনওটাই হঠাৎ করে আসে না। প্রতিদিনের অভ্যাস, নিয়ম আর ধৈর্যই ধীরে ধীরে মানুষকে তার লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যায়।
‘এবার তো রান্নাবান্না শেখ!’ জন্মদিনে সুস্মিতাকে পরামর্শ সাহেবের! ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে বাড়ল বিয়ের গুঞ্জন! মধ্যরাতের কেক কাটায় শুরু, প্রিয় মানুষটাকে কী বিশেষ উপহার দিলেন তিনি?
আরও পড়ুনঃ ‘এবার তো রান্নাবান্না শেখ!’ জন্মদিনে সুস্মিতাকে পরামর্শ সাহেবের! ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে বাড়ল বিয়ের গুঞ্জন! মধ্যরাতের কেক কাটায় শুরু, প্রিয় মানুষটাকে কী বিশেষ উপহার দিলেন তিনি?
কৌশিকীর মতে, প্রতিদিন যদি কেউ নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকে এবং নিয়ম মেনে চেষ্টা চালিয়ে যায়, তাহলে একদিন সাফল্য আসবেই। এই বক্তব্য শুধু সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য নয়, জীবনের যে কোনও ক্ষেত্রে লড়াই করা মানুষের জন্য সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। শিল্পীর এই বাস্তববোধী কথাই আবারও প্রমাণ করল—মঞ্চের বাইরে দাঁড়িয়েও কৌশিকী চক্রবর্তী অনুপ্রেরণার এক শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।
