জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘বুম্বাটার কিছু হবে না’— পদ্মশ্রী পাওয়ার মুহূর্তে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে মুখ খুললেন অনামিকা সাহা! কেন এমন কথা বললেন তিনি?

বিনোদন জগতে (entertainment industry) পদ্মশ্রী সম্মান মানেই দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, নিষ্ঠা আর অবদানের স্বীকৃতি। এই সম্মান শুধু একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়, বরং পুরো ইন্ডাস্ট্রির জন্যই গর্বের মুহূর্ত। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বহু তারকা এই সম্মানে ভূষিত হলেও, কিছু নাম এমন থাকে যাঁদের ক্ষেত্রে পদ্মশ্রী পাওয়ার খবর আলাদা আবেগ তৈরি করে। কারণ সেই শিল্পীর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একাধিক প্রজন্মের স্মৃতি, অনুভূতি আর ভালোবাসা।

সেই তালিকাতেই এবার যুক্ত হল বাংলা সিনেমার অন্যতম বড় নাম প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে যিনি পর্দায় নানা চরিত্রে দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন। বাণিজ্যিক ছবি থেকে শুরু করে সমান্তরাল সিনেমা, এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে তিনি নিজের দক্ষতার ছাপ রাখেননি। বাংলা সিনেমার একাধিক কঠিন সময়ে তাঁর উপস্থিতিই ইন্ডাস্ট্রিকে ভরসা জুগিয়েছে।

শুধু বাংলা ছবিতে নয় বাংলা ইন্ডাস্ট্রির সাফল্যের বহু কাজে নিজেকে প্রমাণ করেছেন প্রসেনজিৎ। চরিত্র বাছাই, অভিনয়ের গভীরতা আর পরিণত ভাবনা তাঁকে আলাদা করে চেনায়। তাই পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়া অনেকের কাছেই ছিল সময়ের অপেক্ষা। এই স্বীকৃতি যেন তাঁর দীর্ঘ অভিনয় জীবনের প্রতি এক সম্মানসূচক মাথা নত করা।

এই আবহেই প্রসেনজিৎকে নিয়ে মুখ খুলেছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী অনামিকা সাহা। বহুবার পর্দায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। অনামিকা জানিয়েছেন, একসময় প্রসেনজিতের মা তাঁকে বলেছিলেন— “বুম্বাটার কিছু হবে না তাই নারে।” ছোটবেলায় ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে সেই হতাশার কথাই নাকি তিনি অনামিকাকে জানিয়েছিলেন।

তখন অনামিকা সাহার বয়স মাত্র ১৭ বছর। তিনি পাল্টা বিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন— একদিন বুম্বা অনেক বড় হবে, তখন দেখবেন কত আনন্দ পাবেন। আজ পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার সময় সেই মা আর বেঁচে নেই, কিন্তু অনামিকা জানিয়েছেন, দূর থেকে যেখানেই থাকুন না কেন, তিনি এই সাফল্যে ভীষণ খুশি। প্রায় একশোরও বেশি ছবিতে একসঙ্গে কাজ করা এই দুই শিল্পীর সম্পর্ক যেন পর্দার বাইরে এখনো আবেগে বাঁধা।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page