কলকাতার কনকনে শীতের এক মোহময় রাতে শহর যখন সংগীতের আবেশে ভাসছিল, তখন ভিড়ের মাঝেই নিঃশব্দ উচ্ছ্বাসে ডুবে ছিলেন অভিনেত্রী দিব্যাণী মন্ডল। অনুভ জৈনের কণ্ঠে ভেসে আসা একের পর এক জনপ্রিয় গান যেন চারপাশের হাওয়া বদলে দিচ্ছিল। সেই সুরের টানেই দিব্যাণী হয়ে উঠেছিলেন এক সাধারণ শ্রোতা, যেখানে তারকাখ্যাতির কোনো আলাদা আসন ছিল না, ছিল কেবল গভীর অনুরাগ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কনসার্টের নানা মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে দিব্যাণী জানালেন, গত সাত বছর ধরে অনুভের গান তার জীবনের সঙ্গী। এই ছিল তৃতীয়বার সামনে থেকে শোনা সেই কণ্ঠ, তবু উত্তেজনা একটুও কমেনি। তিনি লিখেছেন, অনুভের গান তার অজানা কষ্টগুলোকে ধীরে ধীরে সারিয়ে তুলেছে, যেন অদৃশ্য কোনো ব্যথার উপর কোমল স্পর্শ রেখে দিয়েছে।
অনুভের বিখ্যাত গানের একটি লাইন উদ্ধৃত করে দিব্যাণী নিজের আবেগ আরও স্পষ্ট করেছেন। কলকাতার রাত, আলো আর সুরের মায়ায় তিনি যেন অন্য এক জগতে হারিয়ে গিয়েছিলেন। কেবল একজন ভক্ত হিসেবে নয়, একজন শিল্পী হিসেবেও তিনি অনুভকে গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং সেই রাতের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যা তার মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে গেছে।
পোস্টের শেষভাগে দিব্যাণী নিজের একটি ইচ্ছার কথাও খোলামেলা ভাবে লিখেছেন। কোনো একদিন অনুভের সঙ্গে কাজ করার স্বপ্ন তিনি মনে লালন করছেন এবং সেটিকেই তিনি নিজের ম্যানিফেস্ট হিসেবে তুলে ধরেছেন। এই সরল স্বীকারোক্তি অনুরাগীদের মন ছুঁয়ে গেছে, অনেকেই তার সাহসী প্রকাশভঙ্গির প্রশংসা করেছেন আন্তরিক ভালোবাসায়।
আরও পড়ুনঃ “ঈশানী নতুন আর আমিও পার্শ্ব চরিত্রে অভ্যস্ত, অনেকে ভেবেছিল টিকব না…দর্শকই শেষ কথা বলেছে!” প্রথমে সন্দেহের চোখে দেখা গল্পই আজ সবার! ‘পরিণীতা’ ধারাবাহিকের সফলতায়, শুরুর কটাক্ষ ও সমালোচনা নিয়ে আবেগঘন বার্তা উদয়ের!
সাদা রঙের পোশাকে বন্ধুদের সঙ্গে কনসার্টে উপস্থিত দিব্যাণীর এই মুহূর্ত এখন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয়। অনেকে বলছেন, অনুভের গানের শক্তি এখানেই, যা মানুষের অন্তরে সরাসরি নাড়া দেয়। অন্যদিকে দিব্যাণীর ক্যারিয়ার নিয়েও নতুন আগ্রহ তৈরি হয়েছে, কারণ খুব শিগগিরই বড় পর্দায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তাকে দেখার জোর আলোচনা চলছে।
