বিয়ের মৌসুম এলেই চারদিকে সাজ সাজ রব, তার মাঝেই হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর কাড়লেন অভিনেত্রী অলিভিয়া সরকার। একগুচ্ছ কনের সাজের ছবি ঘুরে বেড়াতে শুরু করতেই ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগে তিনি কি সত্যিই চুপিচুপি বিয়ে সেরে ফেললেন। কিন্তু রহস্য ভাঙতেই জানা গেল এই সাজ আসলে তাঁর ধারাবাহিকের চরিত্রের অংশ, বাস্তবের সঙ্গে যার কোনও সম্পর্ক নেই।
ছবিগুলোর ক্যাপশনে অলিভিয়া মজার ছলে লিখেছিলেন অনস্ক্রিন সুখের অভাব হলেও অফস্ক্রিন কোঅ্যাক্টরদের সঙ্গে হাসির কোনও ঘাটতি নেই। আসলে এই ছবিগুলো তাঁর অভিনীত ধারাবাহিকের শুরুর সময়কার, যেখানে গল্পের সূচনাই হয়েছিল বিয়ের দৃশ্য দিয়ে। তিন মাস পরে ফোন ঘাঁটতে গিয়ে পুরনো ছবিগুলো দেখে তাঁর মনে হয় এত সুন্দর মুহূর্তগুলো তিনি পোস্টই করেননি, তাই সেগুলো ভাগ করে নেন সবার সঙ্গে।
ধারাবাহিকের গল্পে এখন চলছে টানটান নাটকীয়তা। অলিভিয়ার চরিত্র মেঘনার জীবনে রয়েছে এক পুরনো প্রেমিক, যে তাকে কষ্ট দিতেও পিছপা নয়। তবু মেঘনা সেই সত্য মেনে নিতে নারাজ। পরিবারের জোরাজুরিতে তাকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়েছে, সবাই ভেবেছে এটাই তার ভালোর পথ। দর্শক অনেক কিছু বুঝলেও চরিত্রটি এখনও দ্বিধার মধ্যে আটকে আছে।
পর্দায় এতবার বিয়ে করতে করতে সংখ্যাটা নাকি ১১২ ছাড়িয়েছে। এই নিয়ে অলিভিয়ার নিজেরও হাসি পায়। তাঁর কথায় এত আচার অনুষ্ঠান করতে করতে সব মুখস্থ হয়ে গেছে। বাস্তবে যখন বিয়ে করবেন তখন নাকি পুরোহিতের আগেই তিনি বলে দিতে পারবেন কোন সময়ে কী করতে হবে। পর্দার অভিজ্ঞতা যেন আগাম প্রস্তুতি হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জীবনে।
আরও পড়ুনঃ “রহস্য থাকুক আপাতত!” ‘তারে ধরি ধরি’র পর, সাহেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে নতুন ধারাবাহিকে মানসী সেনগুপ্ত! খাঁটি খল না কি নতুন চমক, চরিত্র ঘিরে জোর চর্চায় কী ইঙ্গিত অভিনেত্রীর?
তবে বাস্তব জীবনের প্রেম আর বিয়ে নিয়ে তিনি এখনও খানিক দ্বিধাগ্রস্ত। মন থেকে ইচ্ছে থাকলেও মনের মানুষ খুঁজে পাওয়া যেন সহজ হচ্ছে না। অলিভিয়া নিজেকে কাব্যিক স্বভাবের প্রেমিকা বলে মনে করেন। তাঁর মতে অনেকেই তাঁর বাহ্যিক চেহারার সঙ্গে এই কোমল দিকটি মিলিয়ে নিতে পারেন না, তাই ভেতরে লুকিয়ে থাকা নরম মনটা অদেখাই থেকে যায়।
