টলিপাড়ার অন্দরমহলে বিচ্ছেদের খবর প্রতিনিয়তই শোনা যায়। অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাম্পত্য যে আর আগের পথে নেই, সে ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট বহুদিন আগে থেকেই। অবশেষে সেই জল্পনাতেই সিলমোহর পড়েছে। খাতায়-কলমে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিনের সংসারে পড়েছে চূড়ান্ত ছেদ, আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দু’জন।
এই বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলতে বরাবরই অনিচ্ছুক ছিলেন জয়জিৎ। সম্প্রতি তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চান না। অভিনেতার কথায়, এই বিষয় নিয়ে কথা বললে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়, যা তিনি একেবারেই চান না। সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হওয়া বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা—কোনোটাই তাঁর পছন্দের নয় বলেই জানিয়েছেন তিনি।
অভিনেতা জয়জিৎ আরও বলেন, সন্তানের মায়ের তরফে যদি বলা হয় যে সমস্ত দোষ তাঁরই, তবে সেটিও তিনি মাথা পেতে নেবেন। কারও বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়ির পথে তিনি হাঁটতে রাজি নন। অভিনেতার মতে, সম্পর্ক ভাঙার পরেও কিছু দায়িত্ব ও সংযম থেকে যায়, যেগুলোকে সম্মান করাই উচিত।
এই প্রসঙ্গে তাঁর ছেলের কথাও উঠে এসেছে। জয়জিতের ছেলে এখন ১৯ বছরের। অভিনেতা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই বয়সে সন্তানের মানসিক শান্তিই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি কোনওভাবেই চান না, বাবা-মায়ের সম্পর্কের ভাঙন প্রকাশ্য বিতর্কে রূপ নিক।
আরও পড়ুনঃ “নাতি-নাতনীর অন্যায় চোখেই দেখতে পায় না…আমাদের রেহাই দিত না, ক্ষমার অযোগ্য ছিল!” রঞ্জিত মল্লিকের আজ সম্পূর্ণ বদলে যাওয়া রূপ নিয়ে, মেয়ে কোয়েল মল্লিকের অভিমানী মন্তব্য! কঠোর বাবা থেকে নরম দাদু হওয়ার গল্পটা ঠিক কেমন?
উল্লেখ্য, ২০২৪ সাল থেকেই সম্পর্ক ঠিক করার প্রসঙ্গ উঠেছিল তাঁদের মধ্যে। কিন্তু তখনই জয়জিৎ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, এই বিষয়ে তিনি আর কিছু বলতে চান না। ঝড়ের গভীরে থাকা স্তব্ধতা নিয়েই এখন আলাদা ভাবে জীবন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দু’জনের—নীরবে, সংযমে, ব্যক্তিগত পরিসরকে আগলে রেখেই।
