জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“তুমি কোথায় আছো জানি না!” মায়ের জন্মদিনে না বলা কথার ভারে আবেগে ভাসলেন তন্বী! শোককে শক্তিতে বদলে দিয়ে, মানবিকতার নজির গড়লেন অভিনেত্রী!

মায়ের জন্মদিন মানেই তন্বীর কাছে এক অদ্ভুত শূন্যতা আর একই সঙ্গে গভীর টান। সামাজিক মাধ্যমে একটি মধুর ছবি ভাগ করে তিনি লিখলেন, এখন তুমি কোথায় আছো জানি না, আবার কবে দেখা পাব সেটাও জানি না। তবু প্রতিটি জন্মদিনে তোমাকেই খুঁজি। এই না পাওয়া আর অপেক্ষার অনুভূতিই যেন তাঁর লেখার প্রতিটি লাইনে নরম কষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে।

ছোটবেলার অসংখ্য স্মৃতি আজও তাঁকে তাড়া করে ফেরে। সকালে ঘুম ভাঙলে মনে হয় মা ডাকবেন, বাইরে গেলে বারবার ফোন আসবে কবে ফিরবেন জানতে। টিফিন খেয়েছ কি না সেই চেনা প্রশ্ন আর ফেরার পথে বিরিয়ানি আনার আবদার এখন কেবল স্মৃতির ভাঁজে। সেই সব ছোট ছোট মুহূর্তই আজ সবচেয়ে বড় শূন্যতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জীবনে।

তবু দুঃখের মাঝেও তিনি খুঁজে নিয়েছেন ভালোবাসার পথ। মায়ের জন্মদিনে ব্যক্তিগত আনন্দ নয়, বরং অসহায় আর গরিব মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তন্বী। তিনি বিশ্বাস করেন, মা জীবিত থাকলে এ কাজেই সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। তাই এই দিনটিকে কেবল স্মরণ নয়, মানবিকতার দিন করে তুলতেই তাঁর এই প্রয়াস।

মায়ের সঙ্গে কথোপকথন যে কখনও সত্যিই শেষ হয় না, তা তাঁর লেখাতেই স্পষ্ট। তিনি লিখেছেন, অনেক কথা এখনো বলা হয়নি, অনেক গল্প বাকি রয়ে গেছে। তাই বিদায় শব্দটি তিনি উচ্চারণ করতে চান না। তাঁর কাছে মা যেন এখনো আছেন, শুধু দেখা যায় না, ছোঁয়া যায় না, কিন্তু অনুভব করা যায় প্রতিটি মুহূর্তে।

এই আবেগঘন পোস্টে অনুরাগীরাও ভেসেছেন সমান আবেগে। কেউ লিখেছেন মায়ের অভাব কখনও পূরণ হয় না, কেউ আবার তন্বীর উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। জন্মদিনকে দানের আনন্দে ভরিয়ে তোলা যেন এক নীরব শ্রদ্ধা, যেখানে চোখের জল আর ভালোবাসা একসঙ্গে মিশে গিয়ে তৈরি করেছে এক অনন্য স্মরণ।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page