জি বাংলার (zee bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ শুরু থেকেই দর্শকের নজর কেড়ে নিয়েছিল। পারিবারিক টানাপোড়েন, আবেগ আর সম্পর্কের গল্প মিলিয়ে অল্প সময়েই দর্শকের মনে জায়গা করে নেয় এই ধারাবাহিক। বিশেষ করে অপর্ণা চরিত্রটি খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু মাঝপথেই হঠাৎ সেই চরিত্র থেকে সরে দাঁড়ান দিতিপ্রিয়া রায়, আর সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন অধ্যায়।
অপর্ণা চরিত্রে এরপর দেখা যায় শিরিন পালকে। টেলিভিশনের পর্দায় এটাই তাঁর প্রথম কাজ। স্বাভাবিকভাবেই দিতিপ্রিয়ার মতো প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীর জায়গায় আসা সহজ ছিল না। তবু আত্মবিশ্বাস নিয়ে এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন শিরিন। শুরু থেকেই তিনি জানতেন কটাক্ষের শিকার তাকে হতে হবে কিন্তু তা সত্ত্বেও নিজের জায়গায় স্থির ছিলেন অভিনেত্রী।
ধারাবাহিকে যোগ দেওয়ার পর প্রথমদিকে কটাক্ষ ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। অনেকেই দিতিপ্রিয়ার সঙ্গে তুলনা টেনে মন্তব্য করেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের অভিনয় দক্ষতায় দর্শকের মন জয় করতে সক্ষম হন শিরিন। ধীরে ধীরে অপর্ণা হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করতে শুরু করেছেন দর্শক।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ছোটবেলার কথা তুলে ধরেছেন শিরিন পাল। তিনি জানান, অভিনয়ে এটি তাঁর প্রথম টেলিভিশন কাজ হলেও পারফর্মিং আর্টসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অনেক পুরনো। খুব ছোটবেলা থেকেই নাচ শিখতেন তিনি, পাশাপাশি থিয়েটারও করতেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিতেন। স্কুল জীবন থেকেই মঞ্চ ছিল তাঁর খুব চেনা জায়গা।
আরও পড়ুনঃ জল্পনার অবসান! শেষ নয় বরং লিপ নিয়ে এক্কেবারে নতুন অধ্যায়ে ‘আনন্দী’! বৃদ্ধ আদি-আনন্দী, এন্ট্রি নেবে বড় উমা! গল্পে উমার নায়ক হয়ে আসছেন, টেলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা! এক ঝটকায় বদলে যাচ্ছে সম্পূর্ণ ধারাবাহিকের সমীকরণ?
শিরিন আরও বলেন, শুধু নাচ বা অভিনয় নয়, প্রায় সব অনুষ্ঠানেই তাঁর ডাক পড়ত। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে বার্ষিক অনুষ্ঠান—সব জায়গাতেই তিনি সক্রিয় ছিলেন। অনেক সময় সঞ্চালনার দায়িত্বও সামলেছেন। এই দীর্ঘদিনের মঞ্চ অভিজ্ঞতাই তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে এবং ক্যামেরার সামনে স্বাভাবিক থাকতে সাহায্য করেছে।
