জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“বাঙালিদের অনেক সমস্যা…” বিতর্কিত মন্তব্য মেগাস্টার দেবের! আচমকা কেন বাংলার মানুষদের খুঁত তুলে ধরলেন প্রকাশ্যে? নেপথ্যে কীসের ইঙ্গিত?

টলিউড মেগাস্টার দেব (Dev) -এর কেরিয়ারে আবারও একটি বিশেষ অধ্যায় শুরু হতে চলেছে তাঁর আসন্ন ছবিকে ঘিরে। পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত ‘বাইক অ্যাম্বুল্যান্স দাদা’ করিমুল হকের জীবন এবার বড় পর্দায় তুলে ধরবেন তিনি। সম্প্রতি ছবির শুভ মহরৎ সম্পন্ন হয়েছে, আর সেই বিশেষ মুহূর্তের ছবি নিজেই ভাগ করে নিয়েছেন অনুরাগীদের সঙ্গে। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নতুন যাত্রা শুরু’। হাতে ক্ল্যাপস্টিক, পুজোর সাজানো আসর আর সামনে ঝলমল করছে আসন্ন ছবির পোস্টার মিলিয়ে একেবারে নতুন সূচনার আবহ।

এই ছবির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ এটি দেবের কেরিয়ারের পঞ্চাশতম প্রোজেক্ট। দীর্ঘদিন ধরে যিনি বাণিজ্যিক এবং ভিন্নধর্মী ছবির মধ্যে ভারসাম্য রেখেছিলেন, সেই অভিনেতা এবার এক বাস্তব জীবনের নায়কের গল্প বলার দায়িত্ব নিয়েছেন। জলপাইগুড়ির রাজাডাঙা গ্রামের বাসিন্দা করিমুল হক বহু বছর ধরে নিজের মোটরবাইকেই অ্যাম্বুল্যান্সের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে অসংখ্য মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। সেই কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই ২০১৭ সালে তিনি পান ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান।

তাঁর এই অসাধারণ মানবিক উদ্যোগই ছবির মূল ভিত্তি। ছবিটি আগামী ১৪ আগস্ট, স্বাধীনতা দিবসের আবহে মুক্তি পাওয়ার কথা। যদিও শুটিং শুরুর নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা হয়নি, খুব শিগগিরই শুরু হবে বলেই জানা গেছে। এর আগে বলিউডে এই বায়োপিক তৈরির আলোচনা শোনা গিয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত স্বত্ব কিনে নিয়ে প্রযোজনার দায়িত্ব নিজের হাতে নেন দেব। প্রধান চরিত্রেও দেখা যাবে তাঁকেই। ফলে প্রোজেক্টটি তাঁর কাছে নিছক আর একটি ছবি নয়, বরং দায়িত্ব আর আবেগের মেলবন্ধন।

এই প্রেক্ষিতেই এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল গ্রামাঞ্চলে এখনও পর্যাপ্ত সিঙ্গেল স্ক্রিন না থাকার বিষয়টি নিয়ে। উত্তরে দেব স্পষ্ট বলেন, “একার পক্ষে তো এটা সম্ভব নয়, এটা একটা ব্যবসা। এখন আস্তে আস্তে অনেক জায়গায় সিঙ্গেল স্ক্রিন খুলছে। আমরাও চেষ্টা করছি নিজেদের মতো করে। কিন্তু কী হয়, বাঙালিদের একটাই সমস্যা। অনেকগুলো পুরোনো সিঙ্গেল স্ক্রিন আছে, সেখানে অনেক ভাগিদার হয়ে গেছে। তবে, চেষ্টা তো চলছেই।” তাঁর কথায় স্পষ্ট যে সমস্যাটা তিনি অস্বীকার করছেন না।

বরং বাস্তব দিকটাই তুলে ধরছেন। উল্লেখ্য, দেবের এই নতুন ছবি শুধু এক মানবিক কাহিনি নয়, বরং বাংলা ছবির পরিসর ও পৌঁছনো নিয়ে তাঁর ভাবনারও প্রতিফলন। একদিকে সমাজসেবার অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প, অন্যদিকে প্রেক্ষাগৃহের পরিকাঠামো নিয়ে বাস্তব আলোচনা মিলিয়েই তাঁর আগামী প্রোজেক্টকে ঘিরে প্রত্যাশা আরও বাড়ছে। এখন দেখার, স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটে মুক্তি পেতে চলা এই ছবিটি দর্শকদের কতটা স্পর্শ করতে পারে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page