জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

মাত্র ৩৭ বছরেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের অকাল প্র’য়াণ! জীবনের চূড়ান্ত চ্যাম্পিয়নকেও নিয়তির কাছে হারতে হয়! প্রিয় অভিনেতার শোকে স্তব্ধ অনুরাগীরা! কী হয়েছিল তাঁর?

ফিটনেস জগতের অনেকের কাছে তিনি ছিলেন এক নিখুঁত প্রেরণা। কঠোর পরিশ্রম এবং একনিষ্ঠার সঙ্গে নিজের স্বপ্নগুলো পূরণের গল্পের মধ্যে যে অনুপ্রেরণা ছিল, তা শুধু খেলাধুলা নয়, জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে দিত। অনেকে বলতেন, তার অনুপ্রেরণায় শুরু হয়েছিল নতুন দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সাহস।

টেলিভিশনের রিয়্যালিটি শো দেখা কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন তিনি। সেখানে তার শান্ত এবং ধৈর্যশীল মনোভাব, সব কাজ সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করার দক্ষতা মিলিয়ে দর্শকদের মনে রেখেছিল এক অনন্য প্রতিভার ছবি। সে শুধুই প্রতিযোগী ছিল না, বরং অনেকের জন্য একটা মেন্টর, যিনি নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে অন্যদের পথ দেখাতেন।

সম্প্রতি তাঁর জন্মদিনে পরিবারের সকল সদস্য এবং বন্ধু-বান্ধবরা মিলিত হয়েছিল উদযাপনের জন্য। কিন্তু জীবন কখনও কখনও আমাদের আসন্ন ঝড়ের পূর্বাভাস দেয় না। অল্প সময়ের মধ্যেই এমন অকালিক ঘটনা যেন হঠাৎ করে সবকিছু থামিয়ে দেয়! আচমকাই না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন তিনি, এদিন এই শোকবার্তা ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

যেখানে অনুরাগীরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সাতবারের ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ খেতাব জয়ী হওয়া মানেই যে তার ফিটনেসে এক বিশেষ স্থান ছিল, তা প্রমাণ করেছিল তার ধারাবাহিক পরিশ্রম। সাধারণ মানুষের কাছে সে একজন আইকন, একটি জীবন্ত উদাহরণ যে নিষ্ঠা এবং অধ্যবসায় দিয়ে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। তার দৃষ্টান্ত বহু নতুন প্রতিভাকে অনুপ্রাণিত করেছে।

মাত্র ৩৭ বছর বয়সেই তিনি হার মানলেন, আজ আমাদের মাঝে আর নেই সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র। ফিটনেসের জগতে নিজের ছাপ রেখে যাওয়া, মানুষকে অনুপ্রেরণা দেওয়া, রিয়্যালিটি শোতে তার সততা ও দক্ষতা, সবকিছু মিলিয়ে তার অবদান স্মরণীয়। আগামীকাল পরিবারের তরফ থেকে দিল্লির রাণা প্রতাপ বাগে রাখা হয়েছে স্মরণ সভা। ‘স্প্লিটসভিলা ৭’ থেকেই মূলত তাঁর জনপ্রিয়তা, চিরবিদায় জানালেন অভিনেতা মায়াঙ্ক পাওয়ার।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page