টলিউডের আলো–আঁধারিতে সম্পর্কের গল্প কখনও ক্যামেরার সামনে, কখনও বা পুরোপুরি আড়ালে। একটি ধারাবাহিক শেষ হয়ে গেলে কি সত্যিই শেষ হয়ে যায় সেই বন্ধুত্বও? নাকি সময়ের দূরত্ব সত্ত্বেও কোথাও না কোথাও টিকে থাকে পুরনো টান? সাম্প্রতিক বিতর্ক আর একাধিক প্রশ্নের মাঝখানে ঠিক এই জায়গাতেই এসে দাঁড়িয়েছেন তন্বী লাহা রায়।
জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক “চিরদিনই তুমি যে আমার” থেকে আচমকাই বাদ পড়েছেন তন্বী। হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে তিনি যে মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে এখন প্রশ্ন উঠছে—কেন এমন সিদ্ধান্ত? যদিও এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি অভিনেত্রী, তবে তাঁর অভিমান যে বাস্তব, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
এই প্রসঙ্গেই ঘুরে আসে আরেক জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠাই–এর কথা। প্রশ্ন উঠেছিল—একটি ধারাবাহিক দীর্ঘদিন চলার পর শেষ হয়ে গেলে, সেই পরিবারের মতো সম্পর্ক কি আগের মতোই থাকে? তন্বীর সোজাসাপ্টা উত্তর, সময়ের সঙ্গে সব বদলায়। সবাই নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, ফলে প্রতিদিন দেখা বা কথা হওয়া আর সম্ভব হয় না। তবে সম্পর্ক পুরোপুরি ভেঙেও যায় না।
তন্বী জানান, “মিঠাই” শেষ হয়েছে বহুদিন। তবুও প্রায় ১০-১৫ দিন আগেই সেই টিমের অনেকেই তাঁর বাড়িতে মিলিত হয়েছিলেন। অর্থাৎ পর্দার গল্প শেষ হলেও সম্পর্কের সুতো ছিঁড়ে যায়নি। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন, “চিরদিনই তুমি যে আমার”-এর ক্যামেরার পেছনের যে পরিবার, সেই বন্ধন এখনও তৈরি হয়নি। অন্যদিকে “মিঠাই”-এর বহু বছরের পুরনো সম্পর্ক এখনও টিকে আছে।
আরও পড়ুনঃ “এবার আমিই তোর পথের সবচেয়ে বড় বাধা!” জে’লবন্দি নিশা, দিদির বিরুদ্ধেই যু’দ্ধ ঘোষণা উজির! ‘জোয়ার ভাঁটা’-য় হোলির রঙে নতুন ঝড়! আবিরে ঢাকা রাগ, সম্পর্কে কি চিরভাঙন?
এখানেই উঠে আসে সৌমিতৃষা কুন্ডু-র নাম। দর্শক জানেন, “মিঠাই” শেষের দিকে অভিনেতা আদৃত রায় ও সৌমিতৃষার মধ্যে মতবিরোধের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। যদিও সেই বিতর্কের প্রকৃত কারণ কখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তন্বী জানিয়েছেন, আদৃত তাঁর কলেজবন্ধু, তাই মাঝেমধ্যেই দেখা হয়। সৌমিতৃষার সঙ্গে দেখা না হলেও ফোন ও মেসেজে যোগাযোগ রয়েছে। অনেক সময় ব্যস্ততার কারণেই সবাই একসঙ্গে দেখা করতে পারেন না। তবে পুরনো গ্রুপে এখনও সবার সঙ্গে সবার যোগাযোগ রয়েছে—এটাই নাকি আসল বন্ধন।
