দোল মানেই রঙে রঙে ভেসে যাওয়ার দিন, আর সেই আনন্দে এ বার মাতলেন টেলিভিশনের পরিচিত মুখেরাও। বছরের এই একটি দিনকে ঘিরে উচ্ছ্বাস থাকে অন্যরকম, তাই ব্যস্ততা বা ব্যক্তিগত টানাপোড়েন ভুলে অনেকেই ডুবে যান রঙিন মুহূর্তে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মঙ্গলবার জুড়ে দেখা গেল তারকাদের ঘরোয়া উদযাপনের ঝলক। বিশেষ করে নজর কাড়ল তাঁদের একরত্তি সন্তানদের সঙ্গে কাটানো সময়। কারও সন্তানের প্রথম দোল, কারও আবার দ্বিতীয় বছর। বাবা মা পরিবারের সঙ্গে ছোট ছোট মুহূর্ত ভাগ করে নিতে দেখা গেল সকলকেই। আনন্দের পাশাপাশি ছিল সচেতনতার ছাপ, কারণ বাচ্চাদের রং খেলা মানেই বাড়তি দায়িত্ব।
অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত এ বছরের দোলকে বলছেন স্মরণীয়। তাঁর ছোট ছেলের এ বারই প্রথম দোল। তাই ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সকাল থেকেই ছিল উচ্ছ্বাস। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পর বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গেও জমে ওঠে আড্ডা ও রং খেলা। তবে ছেলের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। বাজারের আবির ব্যবহার না করে শুটিং সেরে রাতেই নিজে হাতে রং তৈরি করেন, যাতে শিশুর ত্বকে কোনও সমস্যা না হয়। ছেলে যদিও পুরো বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেনি, কিন্তু মেয়ের উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। দুই সন্তানের হাসিতেই যেন পূর্ণতা পেল তাঁর দোল।
অন্য দিকে প্রীতি বিশ্বাস এর কন্যা আয়রার এ বার দেড় বছর বয়স। গত বছর খুব ছোট থাকলেও এ বার চারপাশের উৎসব একটু একটু করে বুঝতে শিখেছে সে। রং খেলার দৃশ্য দেখে অবাক চোখে সব দেখছিল আয়রা, আবার মুহূর্তেই নকল করত বড়দের ভঙ্গি। তবে সতর্কতায় কোনও খামতি রাখেননি প্রীতি। আবির যেন চোখ বা নাকে না ঢুকে যায়, সে দিকে ছিল কড়া নজর। সঙ্গে সঙ্গে মুছে দেওয়া হয়েছে সব রং। তিনি ও তাঁর স্বামী চা
আরও পড়ুনঃ “শেষ অনুষ্ঠান ২২-এ, নিমন্ত্রণপত্র এল ছ’দিন পরে!” ‘চিরদিনই’র ‘শেফালী মাসি’, পুবালি ভট্টাচার্যকে দেরিতে কার্ড পাঠানোয় প্রশ্নের মুখে চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা! প্রতিপক্ষ চ্যানেলের নজির টেনে তুমুল বিতর্ক! এ কি নিছক গাফিলতি, নাকি ছোট শিল্পীদের ইচ্ছাকৃত উপেক্ষা?
আর রূপসা চট্টোপাধ্যায় এর ডুগ্গুর কাছে দোল মানেই সবার সঙ্গে মিশে আনন্দ। দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভীষণ পছন্দ করে সে। রূপসা অবশ্য আগে থেকেই হার্বাল আবির কিনে রেখেছিলেন। সেই রং দিয়েই খেলেছে ডুগ্গু। পাশাপাশি জলভরা বেলুন ছুড়ে নিজেদের মধ্যে একটু মজা চলেছে। তবে রং খেলায় যতটা আনন্দ পেয়েছে, তার থেকেও বেশি আনন্দ পেয়েছে অন্যদের খেলতে দেখে। এ দিন প্রথমবার বাড়ির সামনে একা একা খেলতে দেওয়া হয়েছিল তাকে, আর সেটাই ছিল তার কাছে বড় প্রাপ্তি। তবু গালে আবির লাগতেই দ্রুত মুছে দিয়েছেন রূপসা, কারণ সন্তানের নিরাপত্তাই শেষ কথা।
