শিলিগুড়ির এক সাধারণ পরিবারের ছেলে রাহুল কুমার ঘোষ আজ টলিউডের ডান্স দুনিয়ায় এক পরিচিত নাম। রিয়্যালিটি শো থেকে শুরু হওয়া তার যাত্রা আজ তাকে নিয়ে এসেছে ডান্স ডিরেক্টরের আসনে। এই পথ সহজ ছিল না, কিন্তু নিজের জেদ, প্রতিভা আর নিরলস পরিশ্রম দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব।
রাহুলের ফিল্ম জার্নির শুরু হয় যীশু সেনগুপ্ত এর সহযোগিতায় পোস্তো ছবির মাধ্যমে। “হোম শান্তি হোম” গানের কোরিওগ্রাফিতে প্রথমবার দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন তিনি। এরপর হামি ও হামি ২ ছবিতে আবেগ আর নাচের মেলবন্ধন ঘটিয়ে নিজের স্বকীয়তা তুলে ধরেন।
তার কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয় অঙ্কুশ হাজরা অভিনীত মির্জা ছবি। এই ছবির টাইটেল গানে বিশাল আকারে কোরিওগ্রাফি করে রাহুল দেখিয়ে দেন বড় ক্যানভাসে কাজ করার দক্ষতা। এই কাজ শুধু প্রশংসাই পায়নি, বরং বাংলা সিনেমায় ডান্স উপস্থাপনার নতুন ধারা তৈরি করেছে।
এরপর নারী চরিত্র বেজায় জটিল এর “ডান্ডা টুডুং টুডুং” এবং রক্তবীজ এর “গোবিন্দো দাৎ মাঝে না” গানের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড তৈরি করেন তিনি। তার কোরিওগ্রাফিতে একদিকে যেমন থাকে বাঙালিয়ানা, অন্যদিকে তেমনই আধুনিক স্টাইলের ছোঁয়া যা দর্শকদের কাছে দারুণ গ্রহণযোগ্য।
আরও পড়ুনঃ একসময় হিরোদের পাশে নিয়মিত দেখা যেত, তারপর হঠাৎ করেই চলে গিয়েছিলেন আড়ালে! দীর্ঘ বিরতির পর ফের আলোচনায়, ‘ব্ল্যাক কফি’র হাত ধরে নতুন অধ্যায় শুরু রাজু মজুমদারের!
পরিচালক অভিজিৎ সেন ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর সঙ্গে কাজ করে রাহুল আরও দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। তার বিশ্বাস বাংলা সিনেমায় আবার বড় ডান্স নাম্বার ফিরবে, যদি নির্মাতা ও তারকারা নতুন প্রজন্মের উপর ভরসা রাখেন। এই আত্মবিশ্বাসই তাকে আগামী দিনের জন্য আরও বড় স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করছে।
